ক্রেতাশূন্য সেমাইয়ের বাজার

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি সাভার (ঢাকা)
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ১৩ মে ২০২১ | আপডেট: ০৫:২৮ পিএম, ১৩ মে ২০২১

ঈদুল ফিতরের দিন আপ্যায়নে বাঙালির ঘরের অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ সেমাই। ঈদের দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরুই হয় সেমাই খেয়ে। তাইতো ঈদের কেনাকাটার শেষে মানুষ ছোটে সেমাই ও চিনির দোকানে।

তবে অন্যান্য বছরের মতো এ বছর ঈদকে ঘিরে কেনাকাটা বাড়লেও বিক্রি বাড়েনি সেমাইয়ের।

সাভার আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুদি দোকানে থরে থরে প্যাকেট ও বস্তায় খোলা সেমাই সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লকডাউনের কারণে কেউ কারো বাসায় যাবেন না। অতিথি সমাগম কম হবে বিধায় সেমাই ও চিনিতে তেমন আগ্রহ নেই। শুধু নিজেদের যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কিনছেন বলে জানা গেছে।

সাভারের অন্ধ মার্কেটের পিংকি স্টোরের মালিক আলতাফ হোসেন বলেন, ক্রেতারা সাধারণত ঈদের কয়েক দিন আগ থেকে সেমাই কিনতে শুরু করে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে সেমাই বিক্রি তত বাড়ছে। তবে এ বছর ক্রেতা এলেও আগের মতো পণ্য বিক্রি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, লকডাউনের জন্য কেউ কারো বাসায় যায় না। তাই ক্রেতা বাড়লেও বিক্রি বাড়েনি। এজন্য ক্রেতারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত সেমাই নিচ্ছে না। তবে যতটুকু বিক্রি হচ্ছে তার বেশিরভাগই প্যাকেটজাত সেমাই।

সাভার নামা বাজারের মীম স্টোরের মালিক নান্টু খান বলেন, বাজারে সব প্যাকেটজাত সেমাইয়ের প্যাকেটের গায়ে লেখা দামের চেয়ে কমে বিক্রি করা হচ্ছে।

সেমাই কিনতে আসা সাভারের ব্যাংক কর্মকর্তা শুভঙ্কর বাদল জানান, ঈদের দিন শুরুই হয় সেমাই খেয়ে। এরপর ঈদের নামাজে যাই। অন্যান্য কেনাকাটা শেষে এখন সেমাই কিনতে এসেছি। বাজারে সেমাইয়ের দাম না বাড়লেও চিনির দাম বেড়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা পাওয়ার জন্য এ কাজ করে থাকেন। এটা ঠিক না।

লিস্ট দেখে দেখে বাজারে কেনাকাটা করছিলেন খালিদ রাব্বি। তিনি বলেন, পোলাওর চাল, তেল, লবণ সবই কিনেছি। সেমাই আগের দামে বিক্রি হলেও চিনির দাম কেজিতে তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে।

আল-মামুন/এএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]