মাংসের দোকানে উপচেপড়া ভিড়

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি সাভার (ঢাকা)
প্রকাশিত: ০৫:৪৪ পিএম, ১৩ মে ২০২১

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের দিন সেমাইয়ের পাশাপাশি পোলাও-মাংস রান্না করে থাকেন প্রায় সবাই। তাই সব কেনাকাটার পর এখন শেষ মুহূর্তে মাংসের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন মহল্লায় ঘুরে দেখা গেছে, মাংসের দোকানগুলোতে আগের চেয়ে ক্রেতার ভিড় বেশি। কসাইরাও মাংস কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পছন্দের মাংস কিনছেন তারা। তবে ঈদকে ঘিরে মাংসের দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ৬৫০ টাকা দরে। যা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় প্রায় ১০০ টাকা বেশি। এছাড়া উলাইল সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড মজিদপুর রাজাশনসহ আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায়ও মাংসের দাম বেশি রাখা হচ্ছে। তবে ক্রেতার সংখ্যা কম সেখানে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরিবহন সমস্যা থাকায় বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাত পোহালেই ঈদ। তাই মাংস কিনতে এসেছি। আগে এক কেজি মাংস ৫৫০ টাকায় কিনতাম। কিন্তু এখন ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে মাংস কিনতে হচ্ছে।

jagonews24

অপর ক্রেতা শাহ আলম বলেন, আমরা গরিব মানুষ। বেশি দাম হলে কীভাবে মাংস কিনে খাব। ঈদ সামনে রেখে প্রশাসনের উচিত বাজার মনিটরিং করা, যাতে সঠিক দামে মাংস বিক্রি করা হয়।

আশুলিয়ার জিরাবো বাজারের মাংস বিক্রেতা মঞ্জু বলেন, বছরের একটি দিন ঈদ। এসময় তো দাম একটু বেশি হবেই। আমরা প্রতি কেজি মাংসের দাম সর্বোচ্চ ২০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছি।

রবিউল ইসলাম নামে আরেক মাংস বিক্রেতা বলেন, আমি আগের দামেই মাংস বিক্রি করছি। তবে মাথার মাংস এখন ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। আগে এই মাংস ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করতাম।

বেশি দামে মাংস বিক্রির বিষয়ে জানতে সাভার উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

আল-মামুন/এএএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]