ব্রিজের ওপর নির্বাচনী অফিস, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ১৮ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৯:০৭ পিএম, ১৮ জুন ২০২১

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের পশ্চিম চন্দ্রহার গ্রামে সরকারি একটি ব্রিজের উপর ওই ওয়ার্ডের এক ইউপি সদস্য প্রার্থী (মেম্বার) নির্বাচনী অফিস তৈরি করেছেন। ব্রিজের দু’পাশে বাঁশ পুতে ত্রিপল টানানো হয়েছে। প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বসার জন্য রাখা আছে প্রায় অর্ধশত চেয়ার। ফলে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।

পশ্চিম চন্দ্রহার গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, বাদামতলা-পশ্চিম চন্দ্রহার সড়কের একটি সরকারি ব্রিজ দখল করে ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী ক্ষিতিস চন্দ্র পাল তার ফুটবল মার্কার নির্বাচনী অফিস বানিয়েছেন। গত ৪ জুন অস্থায়ী অফিসটি তৈরি করা হয়। সেখানে প্রায় অর্ধশত চেয়ার রাখা আছে। এতে প্রায় ব্রিজের ৯০ ভাগ জায়গা আটকে গেছে।

বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী ক্ষিতিস চন্দ্র পালের কর্মী সমর্থকরা আড্ডা দেন। চলে হৈ হুল্লোড়। ফলে চলাচলে এলাকাবাসীর ব্যঘাত ঘটছে। বিশেষ করে কিশোরী, তরুণী ও নারীদের বেশি সমস্যা হচ্ছে। ব্রিজের ওপর লোকজন থাকায় তাদের চলাচলে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্রিজের ওপর থেকে নির্বাচনী অফিস সরিয়ে নিতে এলাকার কয়েকজন ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী ক্ষিতিস চন্দ্রকে একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। তবে তিনি কর্ণপাত করেননি। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ এসে ওই নির্বাচনী অফিস সরিয়ে নিতে বলেছে। তবে কাজ হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী ক্ষিতিস চন্দ্র পাল বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম। গ্রামে চারদিকে কাঁদা। তাই এলাকার ছেলেরা সেখানে ত্রিপল দিয়ে বসার ব্যবস্থা করেছে। এতে চলাচলে মানুষ কষ্ট হচ্ছে ঠিক না। আগামীকাল শনিবার (১৯ জুন) প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে। কাল রাতের আগেই তাদের ত্রিপল ও চেয়ার সরিয়ে নিতে বলব।

গৌরনদী থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জেনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ব্রিজ থেকে নির্বাচনী অফিস সরানোর জন্য প্রার্থী ক্ষিতিস চন্দ্র পালকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি সরিয়ে নেবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।

গৌরনদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, এ বিষয়ে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমআরএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]