বরিশালে ডাকাত দলের চার সদস্যকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৫:৫৫ পিএম, ২৭ জুলাই ২০২১

বরিশালের হিজলা উপজেলার একতা বাজার এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের চার সদস্যকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

আটক ডাকাত দলের সদস্যরা হলেন-হিজলা উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার কামাল মাতুব্বরের ছেলে সুজন মাতুব্বর, মাটিয়ালা এলাকার বাকের তফাদারের ছেলে মাসুদ তফাদার ও চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার শেখ অন্তর বেপারীর ছেলে ইকবাল হাসান বেপারী এবং একই উপজেলার তাইম হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাতে হিজলা উপজেলার ধুলখোলা এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জেলেদের একটি ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দলের ৮-৯ জন সদস্য এতে অংশ নেন। তারা এসময় জেলেদের ট্রলারে হামলা চালিয়ে নগদ টাকাসহ সব মালামাল লুটে নেন। বাধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বাদশা সরদার নামের এক জেলেকে গুরুতর আহত করেন। এছাড়া জেলেদের মাঝি মো. ইউনুসসহ সাতজনকে মারধর করে মেঘনা নদীতে ফেলে দেন ডাকাতরা। জেলেদের ট্রলারে থাকা সাতজনের বাড়িই হিজলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

জেলে ট্রলারের মাঝি মো. ইউনুস জানান, পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা আমাদের ট্রলারের তলা ভেঙে দিলে পানি উঠতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি নদীতে তলিয়ে যায়। এসময় আমাদের চিৎকারে অন্য জেলেদের ট্রলার এসে উদ্ধার করে। পরে গুরুতর আহত জেলে বাদশা সরদারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ডাকাতিতে অংশ নেয়া হিজলার একতাবাজার সংলগ্ন খালে একটি ট্রলার থামানো দেখতে পাই। পাশে চারজন লোক ছিলেন। এরমধ্যে একজনের সঙ্গে ডাকাত দলের একজনের চেহারা মিল খুঁজে পাই। এসময় স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় তাদের ঘেরাও করা হয়। পরে স্থানীয়দের জেরার মুখে তারা ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার সিকদার জানান, জনতার হাতে ধরা পড়া চার ডাকাতকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সাইফ আমীন/এসআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]