কাটাখালী পৌর ফান্ডের সাড়ে ৩ কোটি টাকা গায়েব

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৬:৫৪ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০২১

রাজশাহীর কাটাখালী পৌর ফান্ডের সাড়ে ৩ কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগ উঠেছে মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে পৌরসভা ভবনে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় কাউন্সিলররা এ অভিযোগ করেন। ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমানের সভাপতিত্বে ১২ কাউন্সিলর সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, কাটাখালী পৌরসভার ফান্ডে রাজস্ব আদায়ের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ছিল। এখন চা খাওয়ার টাকাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হটাৎ করে পৌর ফান্ডের টাকা গায়েব হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, করোনাকালীন অনুদান দেয়ার জন্য কাটাখালি বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেন মেয়র আব্বাস। কিন্তু সে টাকা কাউকে দেয়া হয়েছে বলে জানা নেই। চা-দোকানিদের অনুদানের নামে কয়েক লাখ টাকা পৌরসভার ফান্ড থেকে হাতিয়ে নেন আব্বাস। কিন্তু কোনো চা-দোকানদার করোনাকালে অনুদান পেয়েছে কিনা তা কোনো কাউন্সিলরের জানা নেই।

‘প্রতি মাসে মেয়র আব্বাসের অবৈধ আয় প্রায় দেড় কোটি টাকা। এটি তিনি গর্ব করে বলে থাকেন। সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমকর্মীদেরও এ কথা বলেছেন। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিবাদ সভায় ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ বলেন, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩৬ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া। ফান্ডে টাকা থাকার পরও আব্বাস বেতন-ভাতা পরিশোধ করেননি। বিভিন্ন সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোরপূর্বক বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করতেন। কেউ স্বাক্ষর না করলে চাকরি ছাড়ার ভয় দেখানোসহ নানাভাবে হুমকি দিতেন।

এদিকে, বিকেল সাড়ে ৪টায় নিজের ফেসবুকে লাইভে এসে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপত্তিকর কথা বলার বিষয়টি অস্বীকার করেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতির জায়গা থেকে খারাপ লাগায় আপত্তি জানানোর কথা স্বীকার করেন তিনি।

ফয়সাল আহমেদ/এএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]