লাঞ্ছনায় শিক্ষকের মৃত্যু, তদন্তে অপারগতা দুই সদস্যের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা
প্রকাশিত: ০৯:৩৮ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২১

ছাত্রলীগ নেতাদের লাঞ্ছনা ও মানসিক নির্যাতনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কুয়েটের সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করেন।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুয়েটের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা।

এর আগে বিকেল ৪টায় শুরু হয় কুয়েটের জরুরি সিন্ডিকেট সভা। দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরেও সভায় কোনো সিদ্ধান্তে আসেননি সদস্যরা।

এদিকে ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান ও ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. কল্যাণ কুমার হালদার।

তবে এদের মধ্যে থেকে অধ্যাপক ড. কল্যাণ কুমার হালদার লিখিতভাবে ও ড. মো. আরিফুল ইসলাম অলিখিতভাবে তদন্ত করতে অপারগতা জানিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির অপারগতার বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, তদন্ত কমিটির দুই সদস্যের অপারগতা জানিয়েছেন। নতুন করে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়নি। সিন্ডিকেটের সভা থেকে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুতে কুয়েট শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। সেখানে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষক কালো ব্যাজ ধারণ ধারণ করে সভায় অংশ নেন। সভা শেষে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন।

উল্লেখ্য, ৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ৩টার দিকে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান কুয়েট শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেন। তিনি কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ও লালন শাহ হলের প্রভোস্ট ছিলেন।

আলমগীর হান্নান/আরএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]