রংপুরে বেড়েছে ডিমের দাম, কমেছে সবজির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ০৭:৫৪ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২২
ডিম ও সবজি

রংপুরে গত কয়েকদিনের তুলনায় মুরগি, আলু ও সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে বেড়েছে ডিমের দাম। অব্যাহত রয়েছে চাল ও ভোজ্যতেলের বাড়তি দাম। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কমেছে পাকিস্তানি মুরগির দামও। খুচরা বাজারে ১৪০-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা কম। দেশি মুরগি ৩৯০-৪০০ টাকা এবং পাকিস্তানি লেয়ার আগের মতোই ২৪০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রংপুরে বেড়েছে ডিমের দাম, কমেছে সবজির

সিটি বাজারে মুরগি কিনতে আসা ভ্যানচালক এনতাজ আলী বলেন, মাংসের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে আমাদের মতো নিম্নবিত্তদের ব্রয়লার মুরগি একমাত্র ভরসা। কিন্তু সেই মুরগিও কম দামে মিলছে না। গত কয়েকদিন আগে ১৮০-১৯০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়েছে। এখন একটু দাম কমলেও তা যথেষ্ট নয়।

বাজারে সবধরনের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। কেজি প্রতি টমেটো ৩০-৩৫ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, মটরশুটি ৮০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, করলা ৪০-৪৫ টাকা, ধনিয়া ৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৩০ টাকা, গোল বেগুন ৪০-৪৫ টাকা, সিম ৩৫-৪০ টাকা, শসা ৩৫ টাকা, পেঁপে ১৬ টাকা ও কাঁচামরিচ ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস বাঁধাকপি ১০-১৫ টাকা, লাউ ২৫-৩০ ও কাঁচকলা হালি ২০-২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকা, আদা ৬০-৭০, রসুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রংপুরে বেড়েছে ডিমের দাম, কমেছে সবজির

কমতির তালিকায় যুক্ত হয়েছে আলুর দাম। বাজারে কার্ডিনাল আলু কেজি প্রতি ১৩-১৪ টাকা, গ্রানুলা ৯-১০ টাকা এবং শিল আলু বিক্রি হচ্ছে ২৮-৩০ টাকা দরে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির আমদানি বাড়ায় গত ১৫-২০ দিন আগের তুলনায় কিছুটা দাম কমেছে। তবে শীতকালীন ভরা মৌসুমেও যে দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে তাতে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই সন্তুষ্ট না।

এদিকে গত কয়েকদিনের তুলনায় বেড়েছে তেলের দাম। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা লিটার ও খোলা সয়াবিন ১৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রংপুরে বেড়েছে ডিমের দাম, কমেছে সবজির

এছাড়া আগের মতোই খোলা চিনি ৮০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ৮৫ টাকা, আটা প্যাকেট ৪২ টাকা ও খোলা ৩৫ টাকা এবং ময়দা ৫৫ টাকা প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে হালিপ্রতি দুই টাকা বেড়ে এখন ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ডিম।

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় সবধরনের চালের দাম। স্বর্ণা মোটা ৪৫-৪৬ টাকা, বিআর২৯ ৫৫ টাকা, বি২৮ ৫৮-৬০ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা এবং নাজির শাইল ৬৮/৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের বাজার। এ সপ্তাহে শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৫০- ৩৫০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছ (আকারভেদে) ২২০-২৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৪৫০ টাকা, পাঙাশ ১২০-১৪০ টাকা, সরপুঁটি ১৫০-১৭০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) ৭৫০-১০০০ টাকা, বোয়াল ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাতল (আকারভেদে) ২৫০-৩০০ টাকা, পাবদা (আকারভেদে) ২৭০-৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০-১৩০ টাকা এবং দেশি কৈ ১৫০-৬০০ টাকা।

জিতু কবীর/এসজে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]