ঈদে হাট কাঁপাবে ৫০ মণের ‘কালো মানিক’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ০১ জুলাই ২০২২

অডিও শুনুন

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের আগে ওজন এবং দামে আলোচনায় উঠে আসে বাহারি নামের গরু। এবার সেই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ৫০ মণের দুয়ারে ‘কালো মানিক’। যার দাম হাঁকা হয়েছে ৪০ লাখ।

ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা দক্ষিণ ভাটিপাড়া গ্রামের খামারি জাকির হোসেন সুমন ছয় বছর আগে স্থানীয় বাজার থেকে ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় গরুটি ৭৫ হাজার টাকায় কেনেন। শখের গরুটি যত্ন সহকারে লালনপালন করছেন। শুধু খড়, খৈল, ভুসি, ভুট্টা, ঘাসসহ দেশীয় খাবার খাইয়ে বড় করেছেন ‘কালো মানিক’কে। মোটাতাজাকরণের কোনো ওষুধ প্রয়োগ করা হয়নি।

বিশাল আকারের কালো মানিককে দেখতে ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষ তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকে নানা বয়সের মানুষ প্রতিদিন জাকিরের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন। দেখতে আসা অনেকেই এটিকে ‘হাতির সঙ্গে’ তুলনা করছেন।

jagonews24

সুমন মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, গরুটির রঙের সঙ্গে মিল রেখে নাম রাখি ‘কালো মানিক’। পাঁচ বছরে মাথায় গত কোরবানির ঈদে দাম উঠেছিল ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু বিক্রি করিনি। বর্তমানে গরুটির দৈর্ঘ্য ১১ ফুট আর প্রস্থ সাড়ে সাত ফুট। ওজন প্রায় ৫০ মণ। এবার কালো মানিকের দাম চাচ্ছি ৪০ লাখ টাকা।’

বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর জানান, এবারও ক্রেতাদের চাহিদা এবং সুবিধার কথা চিন্তা করে হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু বেচাকেনার সুযোগ রাখা হবে। হাটগুলোতে থাকবে প্রাণিসম্পদের মেডিকেল টিম।

তিনি আরও জানান, বিভাগের চার জেলায় খামারি এবং কৃষক পর্যায়ে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৮ হাজার গবাদিপশু। যা চাহিদার তুলনায় প্রায় দুই লাখ বেশি।

মঞ্জুরুল ইসলাম/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]