ভদ্রবাবু-দুষ্টুবাবুর দাম ২৫ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ০৩:৪৬ পিএম, ০২ জুলাই ২০২২

অডিও শুনুন

অনেকটা শান্ত প্রকৃতির হওয়ায় একটির নাম ভদ্রবাবু। আর চঞ্চল প্রকৃতির হওয়ায় অন্যটির নাম রাখা হয়েছে দুষ্টুবাবু। এই ভদ্র আর দুষ্টু আসলে দুটি ষাঁড়ের নাম।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের কিশামত হাবু এলাকার রওশানুল ইসলাম (৩৮) গরু দুটির মালিক। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ দুই বাবুকে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

গরু দুটির মধ্যে ভদ্রবাবুর দাম চাওয়া হচ্ছে ১৫ লাখ, আর দুষ্টুর দাম ১০ লাখ টাকা চাচ্ছেন মালিক। এরই মধ্যে অনেকেই গরু দুটি কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। দূর-দূরান্ত থেকে খামারে ছুটে আসছেন ক্রেতারা।

ভদ্রবাবু-দুষ্টুবাবুর দাম ২৫ লাখ

খামারি রওশানুল জানান, ছয় বছর ধরে ফ্রিজিয়ান জাতের ভদ্রবাবু গরুটি পালন করে বড় করেছেন। স্বভাবে শান্ত প্রকৃতির হওয়ায় গরুটির নাম দিয়েছেন ভদ্রবাবু। আর তিন বছর থেকে লালনপালন করা ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের অন্য গরুটির নাম দিয়েছেন দুষ্টুবাবু। এ দুটি গরু ছাড়াও খামারে তার আরও ১০টি বিভিন্ন জাতের গরু রয়েছে। ভদ্রের দাম ১৫ লাখ টাকা চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠেছে। আর দুষ্টুর দাম ১০ লাখ হাঁকানো হলেও ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলছেন ক্রেতারা। তবে ঈদের আগেই কাঙ্ক্ষিত দামে গরু দুটি বিক্রি হবে বলে আশা করছেন রওশানুল।

ভদ্রবাবু-দুষ্টুবাবুর দাম ২৫ লাখ

খামারি জানালেন, বড় গরুটির ওজন প্রায় ১৬শ কেজি এবং ছোট গরুর ওজন প্রায় ১২শ কেজির মতো। গত বছরও গরু দুটি কিনতে ক্রেতারা আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করেননি। এবার ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

রওশানুল ইসলাম বলেন, গো-খাদ্যোর দাম বেড়েছে। এ কারণে গরু দুটি লালনপালন করতে অনেক খরচ হয়েছে। সে তুলনায় দাম অনেক কম চাওয়া হচ্ছে।

জিতু কবীর/এমআরআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]