ইসলামপুরে প্রথমবারের মতো উচ্চাঙ্গসংগীতের আসর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২০ এএম, ০৩ জুলাই ২০২২

ইসলামপুরের গ্রন্থাগার বাতিঘরের নবগৃহ প্রবেশ উপলক্ষে ‌‘শ্রুতি জয়ন্তী’ শীর্ষক উচ্চাঙ্গসংগীতের অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ তানভীর হাসান রোমান।

অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি অমূল্য রতন পাল, ইসলামপুর সরকারি নেকজাহান পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক শামসুল হুদা খান চিশতী এবং আরও অনেকে। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনন্দ লোকে’ গানের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে প্রথমে বাতিঘরের সদস্য রাইসুল মহসিন সেতারে রাগ ইমন পরিবেশন করেন। এরপর বাতিঘরের আরেক সদস্য ভুবন রায় সরোদে রাগ কাফি পরিবেশন করেন। তাদের সঙ্গে তবলায় ছিলেন বাতিঘরের সদস্য প্রাণেশ বশাক। এরপর প্রাণেশ বশাক একক তবলা লহরা পরিবেশন করেন।

একক তবলা বাদন শেষে মঞ্চে আসেন ইলহাম ফুলঝুরি খান ও ইসরা ফুলঝুরি খান। তাদের সঙ্গে তবলায় ছিলেন তাদের বাবা মোহাম্মদ ইলিয়াছ খান।

অনুষ্ঠানের শেষে ইসলামপুরের সংগীত ব্যক্তিত্ব অরুণ ভাষ্কর বলেন, এ অনুষ্ঠান এ অঞ্চলের সংগীতের বিকাশে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তিনি বাতিঘর প্রাঙ্গণেই শিল্পকলা একাডেমি স্থাপনের দাবি জানান।

শিক্ষক শামসুল হুদা খান চিশতী বলেন, শাস্ত্রীয় সংগীত মানুষের মনকে পরিশুদ্ধ করে। এ সংগীতের চর্চা মানুষকে আপন রূপ দর্শনের পথ খুলে দেবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বলেন, সংগীত হলো ম্যাজিকের মতো। তিনি বাতিঘরকে ১০ হাজার টাকার বই উপহারের প্রতিশ্রুতি দেন। উচ্চাঙ্গসংগীত অনুষ্ঠান শেষে লাল ফিতা কেটে তিনি অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে বাতিঘরের নবগৃহে প্রবেশ করেন।

এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]