আদালতে যা বললেন মরিয়ম মান্নানের মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা
প্রকাশিত: ০৯:০৬ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রহিমা বেগমকে (৫২) অপহরণ করা হয়। অপহরণ মামলায় যাদের নাম রয়েছে তারাই মূলত অপহরণ করেছে বলে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। পরে তাকে মামলার বাদী ও তার ছোট মেয়ে আদরি খাতুনের জিম্মায় দেওয়া হয়।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে খুলনার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক মো. আল-আমিন তার জবানবন্দি নেন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আফরুজ্জামান টুটুল বলেন, ভিকটিম আদালতকে তার অপহরণের বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, জমিজমা নিয়ে যাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল মূলত তারাই তাকে অপহরণ করে চট্টগ্রামে নিয়ে যান। সেখান থেকে তিনি ফরিদপুরে আসেন। মামলায় যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে চার-পাঁচজন অপহরণের সঙ্গে জড়িত।

জবানবন্দি শেষে চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-৪ এর বিচারক সারোয়ার আহমেদ মামলার বাদী আদরি খাতুনের জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করেন।

শনিবার রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে পুলিশ। গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারীর কুদ্দুসের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। কুদ্দুস এক সময় খুলনার জুট মিলে চাকরি করতেন ও রহিমা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিলেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে পানি আনতে বাড়ি থেকে নিচে নামেন রাহিমা বেগম। ঘণ্টা পার হলেও তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। পরে মায়ের খোঁজে সন্তানরা সেখানে গিয়ে তার ব্যবহৃত স্যান্ডেল, গায়ের ওড়না ও কলস রাস্তার ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। রাতে সম্ভাব্য সব স্থানে সন্ধান নেওয়ার পর মাকে পাননি তারা। এরপর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পরে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন।

আলমগীর হান্নান/আরএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।