মিথ্যা প্রচারণায় চালের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫১ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
মিথ্যা প্রচারণায় চালের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, একটি কুচক্রী মহল ভারত সরকারের একটি স্বাক্ষরবিহীন মিথ্যা চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশে চাল রফতানি বন্ধের বিষয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা এ অপপ্রচার চালাতে পারে। এর মাধ্যমে চালের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে চালের কোন সংকট নেই। প্রয়োজনীয় চাল মজুত রয়েছে। বাজারে পর্যাপ্ত চালের সরবরাহ রয়েছে। হাওর এলাকায় পানি প্রবেশ এবং বন্যার কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, চাল আমদানি করে তা পূরণ করা হচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিদিন চাল আমদানি হচ্ছে। বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিদিন ট্রাকে করে চাল আসছে।

মন্ত্রী বলেন, কিছু পত্র-পত্রিকায়ও মিথ্যা চিঠির উপর ভিত্তি করে এ সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। দেশ ও জাতির স্বার্থে সাংবাদিকদের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল ও যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। ভারত সরকার চাল রফতানি বন্ধ করেনি বা এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। প্রতিদিন ভারত থেকে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি হচ্ছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চালের বাজার অস্থিতিশীল করার উদ্দেশে এ ধরনের মিথ্যা চিঠির মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের স্বাক্ষরবিহীন মিথ্যা চিঠিতে বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই।

তিনি বলেন, চালের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খোলাবাজারে ন্যায্য মূল্যে চাল বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অবিলম্বে দেশের সাধারণ মানুষ এ চাল কিনতে পারবেন। চালের অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। প্রত্যেক জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারকে অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে যারা এসব কাজ করছে, তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সেক্টরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি হচ্ছে। চাল আমদানির ক্ষেত্রে কোন ধরনের জটিলতা নেই। বাজারেও চালের স্বাভাবিক সরবরাহ রয়েছে। দেশের মানুষের উদ্বিগ্ন হবার কোন কারণ নেই।

এমইউএইচ/ওআর/আইআই