৬টি গ্যান্ট্রি ক্রেন কিনতে চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চবকের চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১২ এএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৭

জাহাজ থেকে কন্টেইনার দ্রুত ওঠানো ও নামানোর জন্য ৩৪৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চীন থেকে ছয়টি রেল মাউন্টেন কুই গ্যান্ট্রি ক্রেন কিনবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

এজন্য রোববার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চীনের কোম্পানি সাংহাই জেনহুয়া হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেডের (জেপিএমসি) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবার এবং জেপিএমসির চেয়ারম্যান ঝু লিয়ানউ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও সচিব মো. আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চুক্তি স্বাক্ষরের দেড় বছরের মধ্যে জেপিএমসি ক্রেন সরবরাহ করবে। প্রতিটি ক্রেনের ধারণ ক্ষমতা ৪০ টন। ক্রেনগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) সংস্থাপন করা হবে।

এতে একসঙ্গে তিনটি গিয়ারলেস জাহাজ থেকে এনসিটিতে কন্টেইনার ওঠানো-নামানো করা যাবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে ইদানিং অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে আমাদের সক্ষমতা নেই। আমি বন্দর ব্যবহারকারীদের বলতে চাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে এটা সত্য যে হারে আমাদের আমদানি-রফতানি বেড়েছে এর সঙ্গে তাল রেখে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারিনি। তবে আমাদের আমরা বৃদ্ধি করতে পেরেছি।’

শাজাহান খান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ১৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে মোট ২৫১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৯ সালের মধ্যে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ২০২০ সালের মধ্যে লালদিয়া টার্মিনাল এবং ২০২১ সালের মধ্যে বে টার্মিনালের প্রথম ধাপ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা আছে।’

গ্যান্ট্রি ক্রেন একটি অত্যাধুনিক ব্যবস্থা উল্লেখ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ২৪ থেকে ৩০টি কন্টেইনার লোড-আনলোড করা যায়। সাধারণ ক্রেন দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় ১৪ থেকে ১৮টি কন্টেইনার লোড-আনলোড করা যায়। তবে গ্যান্ট্রি ক্রেনের দাম একটু বেশি।’

আরএমএম/এনএফ/এমএস/আইআই

আপনার মতামত লিখুন :