মন্দা বাজারেও বিক্রেতা নেই বেক্সিমকো সিনথেটিকসের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২২ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

মন্দা বাজারেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পঁচা বা ‘জেড’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো সিনথেটিকসের শেয়ার কিনতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। যে সব বিনিয়োগকারীর কাছে কোম্পানিটির শেয়ার আছে তাদের কেউই শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না। ফলে ক্রেতা থাকলেও লোকসানের তালিকায় নাম লেখানো এ প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রেতাশূণ্য হয়ে পড়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার বেক্সিমকো সিনথেটিকসের শেয়ার লেনদেন শুরু হয় ৮ টাকা ২০ পয়সায়। প্রথমে এ দাম থেকে ২০ পয়সা কমিয়ে ৮ টাকা দরে ৫৬ হাজার শেয়ার ক্রয়ের আবেদন পড়ে। তবে কেউ সে দামে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি।

এরপর ৪ টাকা ১০ পয়সা দামে ৬ হাজার ২৪৪টি শেয়ার ক্রয়ের আবেদন আসে। এ দামেও কেউ শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। এরপর কয়েক দফা দাম বেড়ে দুপুর ১টার দিকে ৮ টাকা ৯০ পয়সা দামে ১ লাখ ২২ হাজার ২৮টি শেয়ার ক্রয়ের আবেদন পড়ে। এ দামেও কোনো বিনিয়োগকারী তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। ফলে আজ বেক্সিমকো সিনথেটিকসের শেয়ার বিক্রেতা শূণ্যই থেকে গেছে।

লোকসানি এ প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম এমন বাড়লেও মঙ্গলবার সার্বিক শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। দুপুর দেড়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ১৬ পয়েন্ট এবং দর হারানোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ১৪২টি প্রতিষ্ঠান।

গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বেক্সিমকো সিনথেটিকসের পরিচালনা পর্ষদ সভায় ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সে সময় প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা। আগের বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮১ পয়সা। সে হিসাবে সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির লোকসান প্রায় তিনগুণ বেড়েছে।

আগামী ২৩ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রতিষ্ঠানটির ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) হওয়ার কথা রয়েছে।

এমএএস/এমএমজেড/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :