পিপিপির ভিত্তিতে বিটিএমসির ১৩ মিল চালুর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৬ পিএম, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭
পিপিপির ভিত্তিতে বিটিএমসির ১৩ মিল চালুর সিদ্ধান্ত
ফাইল ছবি

দেশের বিভিন্নস্থানে দীর্ঘদিন ধরে অকেজো এবং জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের (বিটিএমসি) ১৩টি টেক্সটাইল ও কটন মিলস সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছ। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব মিলের পুরাতন এবং অকেজো যন্ত্রপাতি অপসারণ করে আধুনিক স্থাপনা ও নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য সরকারের সঙ্গে অংশীদার হিসেবে থাকবে বেসরকারি উদ্যোক্তারাও।

এসব মিলের পরিত্যাক্ত জমি রয়েছে প্রায় ৪শ’ একর। সরকারি জরিপে এসব জমির দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। নতুন করে এসব মিল চালু করার জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তারা পিপিপি নীতিমালা অনুযায়ী বিনিয়োগ করবে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, উৎপাদিত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাত করার দায়িত্বও থাকবে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাতে। লভ্যাংশ ভাগ করা হবে আলোচনার মাধ্যমে শেয়ার বণ্টন নির্ধারণের পর। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে ৩০ বছরের জন্য চুক্তি করা হবে। পরবর্তীতে টেন্ডারের মাধ্যমে বেসরকারি উদ্যোক্তা অথবা বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণে থাকা দিনাজপুরের জলিল টেক্সটাইল মিল ও দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা। নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলের জন্যও বরাদ্দ ২ হাজার কোটি টাকা।

এছাড়াও চট্টগ্রামের আমিন টেক্সটাইল মিল, দ্য এশিয়াটিক কটন মিল, রাঙ্গামাটি টেক্সটাইল মিল, রাজশাহী টেক্সাটাইল মিল, সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল, ফেনীর দোস্ত টেক্সটাইল মিলের প্রতিটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

৬০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে চট্টগ্রামের আর আর টেক্সটাইল মিল, মাগুরা টেক্সাটাইল মিল, যশোরের বেঙ্গল টেক্সটাইল মিল এবং সাভারের আফসার কটন মিলের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

এমইউএইচ/জেএইচ/এমএস