আরএফএল’র লাইভ রান্নাঘর

সাঈদ শিপন
সাঈদ শিপন সাঈদ শিপন , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৩ পিএম, ০৮ জানুয়ারি ২০১৮

আছে গ্যাস স্টোভ, পাশেই কিচেন হুড। সঙ্গে কুকার রেঞ্জার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন। একপাশে কিচেন সিংক। ওপরে-নিচে ওয়াল কেবিনেট। এর কোথাও সয়াবিন, কোথাও সরিষার তেল। আছে হলুদও, যা দেখে মনে হবে কোনো রুচিশীল মানুষের সাজানো-গোছানো রান্নাঘর।

তবে এটি কোনো বাসাবাড়ি বা নামিদামি হোটেলের দৃশ্য নয়। লক্ষাধিক মানুষের পদচারণার স্থল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় গেলে দেখা যাবে এমন দৃশ্য। মেলার ৮ নম্বর জেনারেল প্যাভিলিয়নের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে এভাবেই সাজানো হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আরএফএল’র লাইভ রান্নাঘর।

এখান থেকে ক্রেতারা সংগ্রহ করতে পারবেন রান্নার জন্য পছন্দের গৃহস্থালি সামগ্রী। রকমারি গ্যাস স্টোভ, কিচেন হুড, কুকার রেঞ্জার, কিচেন সিংক, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ফ্রাই পেনসহ গৃহস্থালির সব পণ্য পাওয়া যাবে এ প্যাভিলিয়নে। এসব পণ্য কিনলে উপহারের সঙ্গে নগদ ছাড়ও রয়েছে।

প্যাভিলিয়নটির ইনচার্জ মো. আমিরুল ইসলাম জানান, মেলায় দুই ধরনের কুকার রেঞ্জার রয়েছে। ৩১ হাজার ৫০ টাকা দিয়ে পাওয়া যাচ্ছে ৩৪ হাজর ৫০০ টাকার কুকার রেঞ্জার। এছাড়া ৩৪ হাজার ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৩৭ হাজার ৯৫০ টাকা মূল্যের কুকার রেঞ্জার।

কুকার রেঞ্জার সম্পর্কে তিনি বলেন, দুই ধরনের কুকার রেঞ্জারই গ্যাস স্টোভ ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। প্রতিটি কুকার রেঞ্জারে রয়েছে চারটি করে বার্নার। অর্থাৎ একসঙ্গে চারটি পাতিলে রান্না করা যাবে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিয়ে গ্রিল, পিৎজাসহ লোভনীয় বিভিন্ন খাবার তৈরি করা যায়।

media

রান্নাঘর তেল চিটচিটে ও ধোঁয়ামুক্ত রাখতে রয়েছে কিচেন হুড। আরএফএল’র প্যাভিলিয়ন থেকে মেলার ক্রেতারা কিচেন হুড কিনতে পারবেন সাত থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার টাকা মধ্যে পাওয়া যাবে কিচেন সিংক। দুই বার্নারের গ্যাস স্টোভ পাওয়া যাচ্ছে দুই হাজার ২০৪ থেকে ছয় হাজার ৭২৮ টাকার মধ্যে। রয়েছে এক ও চার বার্নারের স্টোভও।

প্যাভিলিয়নের মধ্যে সাজানো-গোছানো লাইভ কিচেনের (রান্নাঘর) প্রতি বেশ আগ্রহ মেলায় আসা দর্শনার্থীদের। মিরপুর থেকে আসা সবুরা খাতুন বলেন, মেলা শুধু কেনাকাটার স্থান নয়। এখানে আসলে বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়। আরএফএল’র লাইভ রান্নাঘরটি বেশ পছন্দ হয়েছে। এখান থেকে কিছু পণ্য কেনার ইচ্ছা আছে।

ধানমন্ডি থেকে আসা মো. তোয়েব হোসেন বলেন, মেলায় রান্নাঘরের আদলে প্যাভিলিয়ন তৈরি করে পণ্য বিক্রি হচ্ছে- এমন দৃশ্য আগে দেখিনি। বিষয়টি বেশ ভালো। তাদের পণ্য উপস্থাপনের বিষয়টিও মুগ্ধ করেছে। ব্যতিক্রম এমন উদ্যোগ সত্যিই মেলার সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।

এমএএস/এমএআর/জেএইচ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :