স্বস্তি ফিরেছে সবজিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২৪ এএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
ফাইল ছবি

জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া সবজির দামে কিছুটা ছেদ পড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরণের সবজির দাম কমেছে। সেই সঙ্গে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে। ফলে সবজি বাজার কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়েছে রাজধানীর বাসিন্দাদের।

শুক্রবার কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া এবং খিলগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে সব থেকে বেশি দাম বাড়ে শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপি, টমেটো ও শিমের। প্রায় দুই সপ্তাহ সবজিগুলোর দাম চড়া থাকে। তবে বর্তমানে এ সবজিগুলোর সবকটির দাম কিছুটা কমেছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন ছোট আকারের প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আর ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া বড় আকারের ফুলকপির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

পাতাকপির দামও আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আগের সপ্তাহে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা পিস বিক্রি হওয়া পাতাকপির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া শিম পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরের মধ্যে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি।

গত সপ্তাহের মতোই ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে শালগম (ওলকপি)। এছাড়া বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহে এ সবজি দু’টির দাম একই ছিল। কাঁচমরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে এই পণ্যটির দাম ছিল ৮০ টাকার ওপরে।

এদিকে নতুন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। আর আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহেই দেশি ও আমদানি করা পেয়াজের দাম কিছুটা কমে। এখনো সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে।

সবজি, কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের এমন দামে স্বস্তি প্রকাশ করে খিলগাঁও তালতলায় বাজার করতে আসা গৃহিণী আমেনা খাতুন বলেন, কিছুদিন আগে তো সব সবজির দামই বেড়েছিল। আমরা মনে করছিলাম দাম আর কমবে না। তবে এখন দেখছি দাম কিছুটা কমেছে। সবজির দাম এমন থাকলে আমাদের মতো মধ্যবিত্তরা সবজি খেয়ে কিছুটা শান্তি পাবে।

দাম কমার বিষয়ে রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আলম বলেন, বাজারে এখন সব ধরণের সবজিতে ভরপুর। প্রথমদিকে বাজারে হাইব্রিড ফুলকপি এসেছিল। এখন দেশি ফুলকপিও বাজারে চলে এসেছে। দেশি টমেটোও বাজারে ভরপুর। অন্যান্য সবজির সরবরা পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। এ কারণেই দাম কিছুটা কমেছে।

কারওয়ানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. রুবেল মিয়া বলেন, আগের সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কমে যা দাঁড়িয়েছিল এখনো তাই রয়েছে। নতুন দেশি পেঁয়াজ ও আমদানি করা পেঁয়াজ এখন ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে।

এমএএস/এমবিআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :