অন্যরকম হালখাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩২ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৮ | আপডেট: ০৪:৩৪ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

বৈশাখ উপলক্ষে হালখাতা করেন ব্যবসায়ীরা। মিষ্টি মুখ করানোর মাধ্যমে পাওনাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করায় এর মূল লক্ষ্য। একই লক্ষ্য নিয়ে হালখাতা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। যার নাম দেয়া হয়েছে রাজস্ব হালখাতা।

দেশের প্রতিটি কর অফিসে উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে ব্যতিক্রমী এ হালখাতা। করদাতাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে হাসি মুখে কর আদায় করতেই দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন করেছে এনবিআর।

বিভিন্ন কর অঞ্চলের অফিসে রোববার সকালে দাওয়াত দেয়া হয় করদাতাদের। দাওয়াত পেয়ে অনেকে এসে বকেয়া কর পরিশোধ করছেন। অনেকে এসেছেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে।

হালখাতার ঐতিহ্য অনুসারে আগতদের মিষ্টি মুখ করাচ্ছেন এনবিআর। কোনো কোনো কর অঞ্চলে শুধু মিষ্টিমুখ নয়, দিচ্ছে বইসহ নানা পুরস্কার।

সকালে ‘কর অঞ্চল-৮’ এ হালখাতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। পরে ‘কর অঞ্চল-৪’ অয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক। করদাতাদের জন্য এ আয়োজন চলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সাদেক বলেন, দেশে কর দেয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। কর দেয়ার প্রথমদিকে অনেকের মধ্যে ভয়ভীতি কাজ করলেও পরে তা থাকে না। আর এনবিআর এখন জনবান্ধব। করের আওতায় যারা এসেছেন তাদের সবাইকে কর দিতে হবে।

jagonews24

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে কর জিডিপি অনুপাত ৮-৯ শতাংশ। কর জিডিপি অনুপাতকে ১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আমরা আরও উন্নতির দিকে যাচ্ছি। সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে এনবিআর রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। আয়করের সঙ্গে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি করতে হবে। জনগণ যে ভ্যাট দিচ্ছে, তা যেন ঠিকভাবে জমা হয়।

তিনি বলেন, গতবছরের চেয়ে এবার আরও উৎসব মুখর পরিবেশে রাজস্ব হালখাতা পালিত হচ্ছে। আশা করছি দিনটিতে অনেক বকেয়া আদায় হবে।

এমএ/এএইচ/আরআইপি