পতনের বাজারেও দাম বৃদ্ধিতে ব্যাংকের দাপট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৮

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। তবে এই পতনের মধ্যে ডিএসইতে একটি বাদে সবকটি ব্যাংকের দাম বেড়েছে।

শেয়ার দাম বৃদ্ধিতে ব্যাংকের এমন দাপটের কারণে পতনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক। এ নিয়ে টানা চার কার্যদিবস ব্যাংক খাতের সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়লো।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৯টি প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় কমেছে। বিপরীতে দাম বাড়ার তালিকায় স্থান হয়েছে ৯৫টি। আর ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় দশমিক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

তবে ব্যাংক বাদে অন্য খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার কারণে ডিএসইর অপর দুটি মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৬৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৯২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

এ দুটি সূচকের পাশাপাশি ডিএসইর বাজার মূলধনও কমেছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার কারণে এদিনের ব্যবধানে ডিএসই বাজার মূলধন হারিয়েছে দুই হাজার কোটি টাকার ওপরে। দিনের লেনদেন শেষ ডিএসইর বাজর মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। যা আগের কার্যদিবস শেষে ছিল ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন এবং বাছাই করা ও শরিয়াহ মূল্য সূচক কমলেও ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজারটিতে ১১ কার্যদিবস পর আবারও ৮’শ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭০৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১১৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বিবিএস ক্যাবলসের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সায়হাম টেক্সটাইলের ২৬ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- ইফাদ অটোস, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, রিজেন্ট টেক্সটাইল, লিগাসি ফুটওয়্যার, আমান কটন এবং হামিদ ফেব্রিক্স।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স ২ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৩টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির।

এমএএস/এমআরএম/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :