প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১৬ পিএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ক্ষমতায় গেলে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশে উন্নীত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেয়া ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর লেকশর হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ইশতেহার পাঠ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ইশতেহার পাড়ার প্রথমদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় আমাদের দীর্ঘমেয়াদের পরিকল্পনা আছে।’ এরপর পরিকল্পনার ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বিষয়গুলো ১৯টি দফায় তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। ১৯ দফার পাঁচ নম্বরে ‘অর্থনীতি’ নিয়ে দলটির পরিকল্পনার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

‘অর্থনীতি’ বিষয়ক দফার প্রথম পয়েন্টে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ‘জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশে উন্নীত করা হবে।’ দ্বিতীয় পয়েন্টে বলা হয়েছে, ‘রফতানি প্রবৃদ্ধির হার তিনগুণ বাড়ানো হবে। রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ করা হবে।’

শেয়ার মার্কেট ও ব্যাংকের বিষয়ে বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘শেয়ার মার্কেট, ব্যাংক এবং সামাজিক নিরাপত্তা তহবিলের অর্থ লুটের তিক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমন দুর্নীতি-অনাচার করতে না পারে সেই লক্ষ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক পরিচালনা বোর্ডে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হবে।’

এ বিষয়ে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশন বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো পরিচালনা ও তদারকির ভার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে ন্যস্ত করা হবে।’

মেগা প্রকল্পের বিষয়ে ইশতেহারে বিএনপি উল্লেখ করেছে, ‘বর্তমানে চলমান কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। তবে মেগা প্রকল্পে ব্যয়ের আড়ালে সংঘটিত দুর্নীতি নিরীক্ষা করে দেখা হবে এবং এজন্য দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

‘বর্তমান সরকারের শেষ দুই বছরে তড়িঘড়ি করে নেয়া প্রকল্পগুলো পুনঃবিবেচনার জন্য কমিটি গঠন করা হবে’ বলেও নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি।

‘মুদ্রাপাচার রোধে পদক্ষেপ নেয়া হবে’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘দেশে কর্মরত সব বিদেশিদের ওয়ার্ক পারমিটের আওতায় এনে মুদ্রাপাচার রোধ করা হবে এবং তাদেরকে করের আওতায় আনা হবে। এছাড়া একটি টাস্কফোর্স গঠন করে রেন্টাল পাওয়ার প্রজেক্টের উচ্চ ব্যয়ের কারণ তদন্ত করে দেখা হবে।

এমএএস/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]