উদ্যোক্তাদের স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০১ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

দেশে অধিক হারে কর্মসংস্থান নিশ্চিতের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা বাড়ানোর জন্য প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট দিনকে উদ্যোক্তা দিবস ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া উদ্যোক্তা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান তারা।

শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীতে দুই দিনব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলন, প্রদর্শনী ও এলিভেটর পিচ-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ দাবি জানান।

ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকসের (ডিএসসিই) ইস্কাটনের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ সামিটের উদ্বোধন করেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান। সামিটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা বিষয়ে আলাদা ১৫টি আইডিয়া তুলে ধরেন। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ইকোনমিক রিপোর্টারস ফোরাম (ইআরএফ)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উদ্যোক্তা বিশেষজ্ঞ ও সামষ্টিক অর্থনীতিবিদ ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের উদ্যোক্তা অর্থনীতি কোর্সের সমন্বয়ক প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএসসিইর সহকারী অধ্যাপক রেহেনা পারভীন।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের মর্গান স্টেট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, সারা বিশ্বে বাঙালিদের সৃজনশীলতার প্রশংসা রয়েছে। তবে উদ্যোক্তা হতে হলে ছোট থেকেই শুরু করতে হবে। সেখানে আর্থিক সংকট বাঁধা হতে পারে। কিন্তু সংকল্প ও দৃঢ়তা রাখতে হবে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলী হোসেইন প্রধানিয়া বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতে কৃষি ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। সারা দেশের ২৩ শতাংশ মানুষের কাছে আর্থিক সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে কৃষি ব্যাংক। তবে আগামী দিনে তা ৮০ শতাংশ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হোপ ফর দি পোরেস্টের (আশার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) নির্বাহী পরিচালক মহিউল কাদির।

প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ইচ্ছাশক্তি প্রবল থাকলে কোনো কিছুই উদ্যোক্তা হতে বাঁধা হতে পারে না। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উদ্যোক্তা তৈরির প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিএসসিই অসাধারণ ভূমিকা পালন করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী বলেন, ডিএসসিই সামনের দিনে অর্থনৈতিক ইনকিউবেটর তৈরি করবে। যেখানে দেশের সম্ভাবনাময় রফতানি খাত, কর্মসংস্থান নিশ্চিত, বিদেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, পণ্যের বিপণন, ব্র্যান্ডিং ও সম্প্রসারণের নানা কৌশল থাকবে। নতুন উদ্যোক্তা ইনকুবেটরের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে। ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে ক্ষুদ্র বিনিয়োগে আনতে হলে পৃথক নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি ব্যাংক স্থাপন করতে হবে। কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় রাজধানীর বাইরে স্থাপন করতে হবে।

এসআই/এএইচ/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :