বার্জার ও রেকিট বেনকিজারের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২৯ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বার্জার পেইন্টের শেয়ার দাম ১১ কার্যদিবসে বেড়েছে ৫০০ টাকার ওপরে এবং রেকিট বেনকিজার শেয়ার দাম ৯ কার্যদিবসে বেড়েছে প্রায় ৫০০ টাকা।

প্রতিষ্ঠান দু’টির শেয়ারের এই দাম বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক বলছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে সোমবার তথ্যও প্রকাশ করেছে ডিএসই।

ডিএসই জানিয়েছে, কোম্পানি দু’টির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনের কারণ জানতে চেয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি নোটিস পাঠানো হয়। এর জবাবে দু’টি কোম্পানির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার জন্য তাদের কাছে অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২৪ জানুয়ারির পর থেকেই বার্জার পেইন্টের শেয়ার দাম টানা বেড়েছে। ২৪ জানুয়ারি কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার দাম ছিল ১ হাজার ৪০৩ টাকা; যা টানা বেড়ে ১০ ফেব্রুয়ারি দাঁড়ায় ১ হাজার ৯০৫ টাকায়। অর্থাৎ ১১ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ৫০২ টাকা।

অপরদিকে রেকিট বেনকিজারের শেয়ার দাম ২৭ জানুয়ারির পর থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা বাড়ে। ২৭ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার দাম ছিল ২ হাজার ১৮৬ টাকা, যা টানা বেড়ে ৯ ফেব্রুয়ারি দাঁড়ায় ২ হাজার ৬৪২ টাকা। অর্থাৎ ৯ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বাড়ে ৪৫৬ টাকা।

৯ কার্যদিবসে রেকিট বেনকিজারের শেয়ার দাম সাড়ে চার’শ টাকার ওপরে বাড়লেও রোববার কোম্পানিটির শেয়ার দাম ৬৮ টাকা কমে যায়। টানা বাড়ার পর শেয়ার দাম কমে যাওয়ার পর ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়।

এদিকে রোববারের মতো সোমবারও কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রতিটি শেয়ারের দাম কমেছে ৭০ টাকা। রেকিট বেনকিজারের মতো বার্জার পেইন্টের শেয়ার দামও সোমবার কমেছে। এ কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমেছে ৮৪ টাকা।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, রেকিট বেনকিজারের মোট শেয়ারের ৮২ দশমিক ৯৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ শেয়ার। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে ২ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার আছে।

অপরদিকে বার্জার পেইন্টের মোট শেয়ারের ৯৫ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার আছে।

এমএএস/এনএফ/এমকেএইচ