লেনদেনে বস্ত্র-ব্যাংক খাতের দাপট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১১ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনর ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে বস্ত্র ও ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলো। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনর প্রায় ২৭ শতাংশই ছিল এ দুটি খাতের দখলে। ডিএসইর হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসজুড়ে বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২২ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বস্ত্র খাতের অবদান তিন হাজার ৬২ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মাধ্যমে জানুয়ারি মাসে বস্ত্র খাত লেনেদেনের শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে।

বস্ত্র খাতের থেকে ১০০ কোটি টাকার মতো কম লেনদেন হয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে ব্যাংক খাত। জানুয়ারি মাসজুড়ে ডিএসইতে ব্যাংক কোম্পানিগুলোর দুই হাজার ৯৫২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ২১ শতাংশ।

তৃতীয় স্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৮২১ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ। দুই হাজার ৮০৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে এর পরের স্থানেই রয়েছে বীমা খাত। মাসটিতে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ ছিল বীমা খাতের দখলে।

এ ছাড়া ওষুধ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ২৭২ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মাট লেনদেনের ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ। মোট লেনদেনের ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ নিয়ে এর পরেই রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। জানুয়ারিজুড়ে এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদন হয়েছে দুই হাজার ১২ কোটি টাকা। আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৭১২ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

বাকি খাতগুলোর প্রত্যেকটির মোট লেনদেনে এককভাবে অবদান রয়েছে পাঁচ শতাংশের নিচে। এর মধ্যে তিনটি খাতের অবদান তিন শতাংশের ওপরে। মোট লেনদেন এককভাবে তিন শতাংশের ওপরে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে খাদ্য খাতের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ, বিবিধ খাতের ৪ দশমিক ১০ শতাংশ এবং আইটি খাতের ৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

বাকি সবকটি খাতের অবদান ২ শতংশের ঘরে অথবা তারও নিচে। এর মধ্যে এক শতাংশেরও কম অবদান রয়েছে ৫টি খাতের। জানুয়ারিতে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২ দশমিক ২১ শতাংশ রয়েছে টেলিকমিনিকেশ খাতের।

এ ছাড়া চামড়ার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ, সেবা ও আবাসনের ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, সিমেন্টের ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, সিরামিকের দশমিক ৯৮ শতাংশ, ভ্রমণের দশমিক ৭০ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাটের দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং কাগজ ও মুদ্রণের দশমিক ৫১ শতাংশ মোট লেনদেনে অবদান রয়েছে।

এমএএস/এমবিআর/এমএস