শবে বরাতের কারণে পেছালো সী পার্লের আইপিও আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৪ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৯

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া কক্সবাজারের পাঁচ তারকা মানের রয়েল টিউলিপ ফ্রাঞ্চাইজ ‘সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’এর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন শবে বরাতের কারণে একদিন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ার পেতে আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে আইপিওতে আবেদন করতে পারবেন। এর আগে আইপিও আবেদনের জন্য ২২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছিল।

২০০৯ সালের ২৬ মে প্রাইভেট কোম্পানি হিসাবে গঠিত সী পার্লের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর প্রাইভেট কোম্পানি থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর হয়।

প্রতিষ্ঠানটিকে অভিহিত মূল্য বা ১০ টাকা দামে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়তে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৭৬তম কমিশন সভায় আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওই অনুমোদনক্রমে এখন কোম্পানিটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন গ্রহণ করবে। কোম্পানিটির শেয়ার পেতে বিনিয়োগকারীরা ২৩ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত আইপিওতে আবেদন করতে পারবেন।

হোটেল রুমের আসবাবপত্র ক্রয় ও ফিনিশিংয়ের কাজ, জমি ক্রয় এবং আইপিও ব্যয় মেটাতে সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এর জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটির আইপিওতে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে।

পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করা টাকার মধ্যে থেকে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে হোটেলের ১৫৭টি রুমের আসবাবপত্র ক্রয় ও ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি ক্রয় ও ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে আইপিও ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা নেট মুনাফা করেছে। এতে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৬৭ পয়সা। আর ২০১৮ সালের ৩০ জুন শেষে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪৮ পয়সা।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

এমএএস/এমএমজেড/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :