ওষুধের দাপট চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪২ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে অব্যাহত ছিল দরপতনের ধারা। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক কমেছে দেড় শতাংশের ওপরে। সূচকের পাশাপাশি বাজারটিতে বাজার মূলধন বড় অঙ্কে কমেছে। এই মন্দাবাজারেও লেনদেনের ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ নিয়ে টানা ছয় সপ্তাহ লেনদেনের শীর্ষস্থান ধরে রাখল খাতটি। ডিএসইর খাতভিত্তিক লেনদেন পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

লেনদেনের শীর্ষস্থান দখলের পাশাপাশি গত সপ্তাহে ওষুধ ও রসায়ন খাতের লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে ওষুধ খাতের শেয়ার লেনদেন প্রতি কার্যদিবসে গড়ে বেড়েছে ১৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ওষুধ খাতের লেনদেন বাড়ার ফলে ডিএসইতে গড় লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪২১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৩৯৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ২৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৮১ শতাংশ।

গত সপ্তাহে শীর্ষে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ শতাংশ। আর আগের সপ্তাহে এই খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয় ৭৪ কোটি ৮৯ হাজার টাকা।

আগের সপ্তাহের মতো গত সপ্তাহেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। এ খাতের শেয়ার প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৭৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আর প্রতি কার্যদিবসে ৩৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠেছে বস্ত্রখাত। আগের সপ্তাহে এ খাতের অবস্থান ছিল চতুর্থ।

অপরদিকে তৃতীয় স্থানে থাকা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত গত সপ্তাহে চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে। গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে এ খাতের শেয়ার গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি টাকা।

এছাড়া প্রতি কার্যদিবসে গড়ে বীমার ২২ কোটি ২৪ লাখ, খাদ্যের ২২ কোটি ৯ লাখ, ব্যাংকের ২১ কোটি ৭৯ লাখ, বিবিধ ১৯ কোটি ৮৮ লাখ, সিরামিকের ১৮ কোটি ৭ লাখ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি ৭০ লাখ, চামড়ার ১২ কোটি ৫ লাখ, তথ্য ও প্রযুক্তির ১০ কোটি ৫৪ লাখ, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১০ কোটি ৪২ লাখ, টেলিকমিউনিকেশনের ১০ কোটি ১২ লাখ, পাট খাতের ৪ কোটি ৪৯ লাখ, ভ্রমণ ও অবকাশের ২ কোটি ৪৫ লাখ, সেবা ও আবাসনের ২ কোটি ৯ লাখ, পেপার ও প্রিন্টিংয়ের ১ কোটি ৪৭ লাখ এবং সিমেন্টের ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।

এমএএস/বিএ/এমকেএইচ