মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে পেঁয়াজ-শিক্ষা-চিকিৎসা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৬ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

চলতি বছরের আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। পেঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ, শাক-সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য, চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা উপকরণ, বিবিধ দ্রব্যাদি ও জ্বালানি কাঠ ইত্যাদির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির পরিমাণ বেড়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৪ ভাগ, যা আগস্টে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৪৯ ভাগ। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ ভাগ। অর্থাৎ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ বছরের সেপ্টেম্বরেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

মূল্যস্ফীতির হার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পেঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ, শাক-সবজি, মাছ, বয়লার মুরগি ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যাদির মূল্য আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে বেড়েছে।

এতে আরও দেখা যায়, খাদ্যবহির্ভূত উপ-খাতে চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা উপকরণ, বিবিধ দ্রব্যাদি ও জ্বালানি কাঠ ইত্যাদি উপ-খাতের দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৫ দশমিক ৩০ ও ৫ দশমিক ৯২ ভাগ, যা আগস্টে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ২৭ ও ৫ দশমিক ৮২ ভাগ।

গ্রামীণ পর্যায়ে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৪১ ভাগ, যা আগস্টে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৩৪ ভাগ। আর শহরে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ ভাগ, যা আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৭৫ ভাগ।

গত এক বছরের (২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর) চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতির হার নিরূপিত হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৫০ ভাগ। একই সময়ে আগের এক বছরের (২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর) চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৬৮ ভাগ।

পিডি/এমএসএইচ/এমকেএইচ