পুঁজিবাজার থেকে ২৩৮ কোটি টাকা তুলবে ওমেরা পেট্রোলিয়াম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০১৯

ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজার থেকে ২৩৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। এর মধ্যে ১৮৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে কোম্পানিটি ৩ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন এলপিজি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক মানের সমুদ্রগামী জাহাজ কিনবে। এছাড়া ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে ৪৬ কোটি ৭৫ রাখ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে টাকা তোলার লক্ষ্যে রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে রোড শো করেছে প্রতিষ্ঠনটি। ওই রোড শোতে কোম্পানিটির উদ্যোক্তারা এ তথ্য জানান।

রোড শোতে ওমেরা পেট্রোলিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুল হক আহমেদ জানান, বর্তমানে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ৬২.৪৯ শতাংশ শেয়ারের মালিক মবিল যমুনা বাংলাদেশ লিমিটেড। এছাড়া কোম্পানিরি অন্যান্য অংশীদারের মধ্যে আছে বি বি এনার্জি এশিয়া পিটিই লিমিটেড এবং সিঙ্গাপুর ও নেদারল্যান্ডসের আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএমও।

তিনি জানান, দেশের এলপি গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় রেখে ২০১৫ সালে সম্পূর্ণ ইউরোপিয়ান প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি স্থাপনের মধ্য দিয়ে ওমেরা পেট্রোলিয়াম এলপিজি খাতে যাত্রা শুরু করে। এলপিজি আমদানি করে ওমেরা পাঁচটি ভিন্ন আকারে যথা ৫.৫, ১২, ২৫, ৩৫ ও ৪৫ কেজি সিলিন্ডারে বোতলজাত করে গৃহস্থালী এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য বাজারজাত করে থাকে। এছাড়াও শিল্পে ব্যবহারের জন্যে বাল্ক আকারে এলপিজি বিক্রি করে ওমেরা।

কোম্পানির সিইও আরও জানান, এলপিজি সংরক্ষণ এবং ব্যবহারকারীদের নিকট বিতরণের জন্য ওমেরার রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন অবকাঠামোগত সুবিধা। ওমেরার রয়েছে ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন এলপিজি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৫টি ট্যাংক। এছাড়াও মোট ১০০০ মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন ৩টি এলপিজি বহনকারী বার্জ; যা আভ্যন্তরীন নৌপথে এলপিজি পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি ওমেরার রয়েছে ৩২টি এলপিজি পরিবহনকারী রোড ট্যাংকার যার প্রত্যেকটির ধারণ ক্ষমতা ১৭ মেট্রিক টন। প্রতিদিন এক শিফটে ৬০ হাজার সিলিন্ডার বোতলজাত করার সক্ষমতা রয়েছে ওমেরার।

অনুষ্ঠানে ওমেরা পেট্রোলিয়ামের পরিচালক আজম জে চৌধুরী, তানজিল চৌধুরী, রিয়াজ আবু নাসের বাসান্তে, বাহাদিন মোহামেদ আবুল নাসের বাসান্তে, রিচার্ড ভারবোভে, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আকতার হোসেন সান্নামাত, কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

এমএএস/এনএফ/জেআইএম