গাড়ি তৈরিতে প্রগতিকে সহায়তা দেবে জাপানের মিৎসুবিশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডের গাড়ি তৈরিতে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে সহায়তা দেবে জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান মিৎসুবিশি মোটর কর্পোরেশন। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে যৌথভাবে মিৎসুবিশি ব্র্যান্ডের বাস, ট্রাক, পিকআপ ও মোটরকার উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে মিৎসুবিশি মোটর কর্পোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ডট টাটসু সাটুর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সঙ্গে বৈঠককালে এ প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শেখ মো. মিজানুর রহমান, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তৌহিদুজ্জামান, মিৎসুবিশি প্রতিনিধিদলের সদস্য শাফি তানভির, ইয়াসুহিকো ইউয়েদা ও বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ইউকো আসানো উপস্থিত ছিলেন।

মিৎসুবিশি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশে অটোমোবাইল শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এ শিল্প বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি সম্প্রসারণ ও আমদানি বিকল্প গাড়ি উৎপাদন সম্ভব। তারা এখাতে মিৎসুবিশিসহ বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে একটি সমন্বিত ও বিনিয়োগবান্ধব অটোমোবাইল শিল্পনীতি প্রণয়নের তাগিদ দেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে নাকি মিৎসুবিশির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, বর্তমানে মিতসুবিশি প্রগতির সাথে যৌথভাবে পাজেরো স্পোর্টস সিআর-৪৫ এবং এল-২০০ মাইক্রোবাস সংযোজন করছে। ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে মিৎসুবিশি প্রগতির সাথে যৌথ অংশীদারিত্বে নতুন নতুন মোটরযান উৎপাদনে আগ্রহী বলে জানান তারা।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, শিল্পের বিকাশ ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে ইতোমধ্যে খসড়া অটোমোবাইল শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিকে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেয়া হচ্ছে। মিৎসুবিশি কর্পোরেশনও এ বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারে। তিনি খসড়া নীতির ওপর লিখিতভাবে মতামত প্রদানের জন্য প্রতিনিধিদলকে আহ্বান জানান।

এ সময় শিল্পমন্ত্রী দেশিয় ব্র্যান্ডের মোটরকার উৎপাদনে মিৎসুবিশি কর্পোরেশনের কারিগরি সহায়তার আগ্রহকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তিনি প্রগতি ও মিৎসুবিশির যৌথ অংশীদারিত্বে প্রগতির পণ্য বৈচিত্রকরণের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার তাগিদ দেন।

এসআই/এমএসএইচ/পিআর