কোম্পানির সঙ্গে ডিএসইর ব্লকে কমেছে লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫১ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহে ব্লকে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৭টি। বিপরীতে লেনদেন কমেছে ১ কোটি ২৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

গত সপ্তাহে ৩০টি প্রতিষ্ঠান ডিএসইর ব্লক মার্কেটের লেনদেনে অংশ নেয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ৬৯ লাখ ৭২ হাজার ৩৭৫টি শেয়ার ৩৪ কোটি ৯১ লাখ ৪ হাজার টাকায় লেনদেন হয়। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর ব্লকে ৩৭ প্রতিষ্ঠানের ৯০ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫টি শেয়ার ৩৬ কোটি ১৬ লাখ ৩২ হাজার টাকায় লেনদেন হয়।

গত সপ্তাহে ব্লকে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, খুলনা পাওয়ার, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ব্র্যাক ব্যাংক, যমুনা অয়েল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল, উত্তরা ব্যাংক, এসকে ট্রিমস, ব্যাংক এশিয়া, সিনোবাংলা, পাওয়ার গ্রিড, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, সিঙ্গার বিডি, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ন্যাশনাল ফিড মিলস, কপারটেক, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, এটলাস বাংলাদেশ, জেনেক্স ইনফোসিস, এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, প্যাসিফিক ডেনিমস, ইভিন্স টেক্সটাইল, শাশা ডেনিমস, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ইয়াকিন পলিমার, মিরাকল, এনসিসি ব্যাংক এবং আরডি ফুড।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গত সপ্তাহে ব্লকে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার লেনদেন হয় ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খুলনা পাওয়ারের ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট।

এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের ২ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার টাকা, যমুনা অয়েলের ১ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার, স্কয়ার ফার্মার ১ কোটি ৬০ লাখ ৮৫ হাজার, উত্তরা ব্যাংকের ১ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার, এসকে ট্রিমসের ১ কোটি ২ হাজার, ব্যাংক এশিয়ার ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার, সিনোবাংলার ৮৪ লাখ ৩০ হাজার, পাওয়ার গ্রিডের ৭৬ লাখ ৭০ হাজার, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের ৫৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর এককভাবে ৫০ লাখ টাকার কম লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে- সিঙ্গার বিডির ৪৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা, সুহৃদের ৪৩ লাখ ৫৮ হাজার, ন্যাশনাল ফিড মিলসের ২১ লাখ ২৪ হাজার, কপারটেকের ২০ লাখ ৫৩ হাজার, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১৯ লাখ, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের ১৪ লাখ ৭০ হাজার, এটলাস বাংলাদেশর ১১ লাখ ৭০ হাজার, জেনেক্স ইনফোসিসের ১০ লাখ ৪৫ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

এককভাবে ১০ লাখ টাকার কম লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে- এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ৮ লখ ২০ হাজার, প্যাসিফিক ডেনিমসের ৬ লাখ ২০ হাজার, ইভিন্স টেক্সটাইলের ৮ লাখ ৮৫ হাজার, শাশা ডেনিমসের ৫ লাখ ৮৪ হাজার, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ৫ লাখ ৪০ হাজার, ইয়াকিন পলিমারের ৫ লাখ ২৫ হাজার, মিরাকলের ৫ লাখ ২৫ হাজার, এনসিসি ব্যাংকের ৫ লাখ ১১ হাজার এবং আরডি ফুডের ৫ লাখ ৮ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

এমএএস/জেডএ/জেআইএম