ডিএসইর ব্লকে লেনদেন বেড়ে তিনগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৪ এএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে তিনগুণ হয়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ব্লকে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯টি। বিপরীতে লেনদেন বেড়েছে ৫০ কোটি ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা।

গত সপ্তাহে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান ডিএসইর ব্লক মার্কেটের লেনদেনে অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৭৩ লাখ ৯১ হাজার ২০০টি শেয়ার ৮৪ কোটি ৯৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইর ব্লকে ৩০ প্রতিষ্ঠানের ৬৯ লাখ ৭২ হাজার ৩৭৫টি শেয়ার ৩৪ কোটি ৯১ লাখ ০৪ হাজার টাকায় লেনদেন হয়।

গত সপ্তাহে ব্লকে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল, এসকে ট্রিমস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, সিঙ্গার বিডি, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, সিনোবাংলা, ব্যাংক এশিয়া, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, ডিবিএইচ, সুহৃদ, উত্তরা ব্যাংক, রেকিট বেনকিজার, এমএল ডাইং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, রিং শাইন, এসিআই এবং কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ।

এছাড়া ব্লকে অংশ নেয়া কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- ওরিয়ন ইনফিউশন, আরডি ফুড, এসএস স্টিল, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো, আইএফআইসি, জাহিন স্পিনিং, বিকন ফার্মাসিউটিক্যাল, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ফাইন ফুডস, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, বিবিএস কেবলস, বঙ্গজ, ট্রাস্ট ব্যাংক, সায়হাম কটন, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স এবং ন্যাশনাল ফিড মিলস।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গত সপ্তাহে ব্লকে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৯৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের ১১ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১০ কোটি ৩৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এসকে ট্রিমস।

এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা, সিঙ্গার বিডির ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ১ কোটি ৯১ লাখ ৭২ হাজার টাকা, সিনোবাংলার ১ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার টাকা, ব্যাংক এশিয়ার ১ কোটি ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের ৯২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, ডিবিএইচের ৮৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা, সুহৃদের ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং উত্তরা ব্যাংকের ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর এককভাবে ৫০ লাখ টাকার কম লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে- রেকিট বেনকিজারের ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, এমএল ডাইংয়ের ৩৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৩৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা, রিং শাইনের ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা, এসিআইয়ের ৩১ লাখ ৭২ হাজার টাকা, কপারটেকের ৩১ লাখ ৬ হাজার টাকা, ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা, আরডি ফুডের ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, এসএস স্টিলের ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রোর ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা এবং আইএফআইসির ১০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

এককভাবে ১০ লাখ টাকার কম লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে- জাহিন স্পিনিংয়ের ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, বিকন ফার্মার ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা, ফাইন ফুডসের ৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, বিবিএস কেবলসের ৫ কোটি ৮১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, বঙ্গজের ৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা, সায়হাম কটনের ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকা, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকা, ন্যাশনাল ফিড মিলসেরে ৫ লাখ ১ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

এমএএস/আরএস/এমকেএইচ