আরও কমেছে ডিএসইর মূল্য আয় অনুপাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৫ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই দেশের শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের বড় পতন হয়। সেই সঙ্গে দাম কমে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। এর ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের তিন কার্যদিবসে শেয়ারবাজার নিম্নমুখী থাকায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সসহ বাকি দুটি সূচকের বড় পতন হয়। সূচকের এ পতনের মধ্যে বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৭৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের এই দাম কমার ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে তিন শতাংশের ওপরে। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১২ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্টে, যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে দশমিক ৩৭ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

খাতভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরাবরের মতো সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতের। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেবা ও আবাসন খাতের পিই ৯ দশমিক ৬০ পয়েন্ট অবস্থান করছে। এর পরের স্থানেই রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। এ খাতের পিই রেশিও ৯ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে রয়েছে।

এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের পিই রেশিও ১১ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে, বীমা খাতের ১৪ দশমিক দশমিক শূন্য ৪, বস্ত্র খাতের ১৬ দশমিক ১৮, খাদ্য খাতের ১৩ দশমিক ২৩, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৫ দশমিক ২০, চামড়া খাতের ১৭ দশমিক ৬১, তথ্য প্রযুক্তির ১৮ দশমিক ২৫ এবং প্রকৌশল খাতের ১৫ দশমিক ৫৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বাকি খাতগুলোর পিইও রেশিও ২০ পয়েন্টের ওপরে। এর মধ্যে পেপার খাতের ২০ দশমিক ৭২ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২১ দশমিক ৮৭, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২৯ দশমিক ৮৯ , সিরামিক খাতের ২৬ দশমিক ৫৮, সিমেন্ট খাতের ২৫ দশমিক ৪২, আর্থিক খাতের ৫২ দশমিক ৩৫ এবং পাট খাতের ৩৬৮ দশমিক ৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এমএএস/জেডএ/জেআইএম