শেয়ারবাজারে এসে বছর না ঘুরতেই মুনাফা কমার তথ্য দিল সি পার্ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩৫ এএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২০

শেয়ারবাজারে আসার পর বছর না যেতেই মুনাফা কমার তথ্য দিল নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা। চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির এ মুনাফা কমেছে।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য জানিয়েছে। ডিএসই জানিয়েছে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৯ পয়সা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকের মতো অর্ধবার্ষিক হিসেবেও কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে। চলতি হিসাব বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩২ পয়সা।

মুনাফার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সম্পদেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪২ পয়সা, যা ২০১৯ সালের জুন শেষে ছিল ১০ টাকা ৬৬ পয়সা। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করা কোম্পানিটির শেয়ার গত বছরের ১৬ জুলাই থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়।

রিসোর্টের বিভিন্ন কক্ষের ইনটেরিয়র, ফিনিশিং ও আসবাবপত্র ক্রয়, জমি ক্রয় এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের খরচ খাতের ব্যয় মেটাতে একই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)।

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন দিয়ে কক্সবাজারের এই পাঁচ তারকা হোটেলটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নেয়া হয় ১০ টাকা।

কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন গ্রহণের পর ২৩ মে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়। এরপর ২৬ জুন লটারিতে শেয়ার বরাদ্দ পাওয়া বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে তা প্রেরণ করা হয়।

শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলন করা অর্থের মধ্য থেকে এই কোম্পানিটি ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে হোটেলের ১৫৭টি রুমের আসবাবপত্র ক্রয় ও ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যবহার করবে। এছাড়া ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি ক্রয় এবং ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার জন্য ব্যয় করবে- বলে বিএসইসি জানায়।

আইপিও অনুমোদনের সময় বিএসইসি জানায়, ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪৮ পয়সা। আর তিনটি আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪১ পয়সা।

কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

এমএএস/এনএফ/এমএস