ঊর্ধ্বমুখী বাজারে কমল ব্লকের লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৯ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে শেয়ারবাজার। সপ্তাহজুড়ে মূল্য সূচকের বড় উত্থানের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে এই ঊর্ধ্বমুখী বাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটের লেনদেনের পরিমাণ আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে।

গত সপ্তাহে ৩৪টি প্রতিষ্ঠান ডিএসইর ব্লক মার্কেটের লেনদেনে অংশ নেয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর এক কোটি ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪১৪টি শেয়ার ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ৫১ হাজার টাকায় লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইর ব্লকে ২৮ প্রতিষ্ঠানের ৯৭ লাখ ৭৮ হাজার একটি শেয়ার ৭৫ কোটি ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকায় লেনদেন হয়। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর ব্লকে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ছয়টি। প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ১১ কোটি ৫৬ লাখ ১১ হাজার টাকা।

গত সপ্তাহে ব্লকে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিকন ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল, রেনেটা, ব্র্যাক ব্যাংক, বেঙ্গল উইন্ডস, এসকে ট্রিমস, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, ম্যারিকো, অলিম্পিক, এসএস স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ব্যাংক এশিয়া, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, সামিট পাওয়ার, এমএল ডাইং এবং স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স।

এছাড়া ব্লকের লেনদেনে অংশ নেয়- সিনোবাংলা, নর্দার্ন জুট, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইভিন্স টেক্সটাইল, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, ভিএফএস থ্রেড ডাইং, সিলকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, ফাস ফাইন্যান্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, খুলনা পাওয়ার, এডিএন টেলিকম, ন্যাশনাল টিউবস এবং আমরা টেকনোলজি।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গত সপ্তাহে ব্লকে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ২৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের ১৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৯ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার টাকার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রেনেটা।

এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের পাঁচ কোটি ২২ লাখ ৭৮ হাজার, বেঙ্গল উইন্ডসোরের তিন কোটি ৪৪ লাখ, এসকে ট্রিমসের এক কোটি ৮০ লাখ ৩৬ হাজার, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের এক কোটি ৬৭ লাখ চার হাজার, ম্যারিকোর এক কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার, অলিম্পিকের এক কোটি ৬২ হাজার, এসএস স্টিলের এক কোটি ৪৩ লাখ, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালের এক কোটি ১৮ লাখ সাত হাজার এবং ব্যাংক এশিয়ার এক কোটি ৯ লাখ পাঁচ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর এককভাবে কোটি টাকার কম লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে- সুহৃদের ৮৮ লাখ ৫৭ হাজার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার, সামিটের ৮১ লাখ ২০ হাজার, এমএল ডাইংয়ের ৭৭ লাখ ৩০ হাজার, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ৬৩ লাখ ৪১ হাজার, সিনোবাংলার ৫৫ লাখ ১৭ হাজার, নর্দার্ন জুটের ৩১ লাখ ৩০ হাজার, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ২৮ লাখ ৫৩ হাজার, ইভিন্স টেক্সটাইলের ২৮ লাখ ১৮ হাজার, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ২৭ লাখ ৮১ হাজার, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ২৪ লাখ ৩০ হাজার এবং ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের ১৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

এককভাবে ১০ লাখ টাকার কম লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে- সিলকো ফার্মার ৯ লাখ ৩০ হাজার, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের আট লাখ ৪০ হাজার, ফাস ফাইন্যান্সের ছয় লাখ ৭৩ হাজার, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ছয় লাখ ৭০ হাজার, ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ছয় লাখ পাঁচ হাজার, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের পাঁচ লাখ ৯০ হাজার, খুলনা পাওয়ারের পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার, এডিএন টেলিকমের পাঁচ লাখ ১৩ হাজার, ন্যাশনাল টিউবসের পাঁচ লাখ এক হাজা এবং আমরা টেকনোলজিসের পাঁচ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

এমএএস/এএইচ/পিআর