বড় উত্থানে পিই বাড়ল ১০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৮ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবস শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছে। সেই সঙ্গে দাম বেড়েছে সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। ফলে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বড় হারে বেড়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারবাজার বড় উত্থান হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। সূচকের এই উত্থানের মধ্যে বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া ৯২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। সম্প্রতি দেশের শেয়ারবাজারে এক সপ্তাহে এত বড় উত্থান হয়নি।

বড় ধরনের উত্থানের কারণে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই এক লাফে বেড়েছে ১০ শতাংশ। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১১ দশমিক শূন্য ৮ পয়েন্টে। যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ১৮ পয়েন্ট। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত বেড়েছে ১ দশমিক ১০ পয়েন্ট বা ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

খাত ভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরাবরের মতো সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতের। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭ পয়েন্ট।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেবা ও আবাসন খাতের পিই ৮ দশমিক ৬৫ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এর পরের স্থানেই রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাত। এ খাতের পিই ৯ দশমিক ৩৩ থেকে বেড়ে ১০ দশমিক ১৩ পয়েন্টে রয়েছে।

এছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের পিই ১০ দশমিক ৯৯, বীমা খাতের ১৩ দশমিক ৯৮, বস্ত্র খাতের ১৫ দশমিক ৫৫, খাদ্য খাতের ১৩ দশমিক ৯৩, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৫ দশমিক ৪২, পেপার খাতের ১৯ দশমিক ৩৪, প্রকৌশল খাতের ১৪ দশমিক ৭৬ এবং তথ্য প্রযুক্তির ১৮ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট অবস্থান করছে।

বাকি খাতগুলোর পিইও রেশিও ২০ পয়েন্টের ওপরে। এর মধ্যে- বিবিধ খাতের ২১ দশমকি ৮৬, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৩৩ দশমিক ৩৮, সিরামিক খাতের ২৫ দশমিক ৭৭, সিমেন্ট খাতের ২৮ দশমিক ২৬, চামড়া খাতের ১৬ দশমিক ৬৭, পাট খাতের ২৭ দশমিক ৮৫ এবং আর্থিক খাতের ৪০২ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এমএএস/এএইচ/এমএস