বাণিজ্য মেলার সময় বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। মেলার সদস্য সচিব আব্দুর রউফ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, 'মেলার সময় বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তবে আমরা এখনো কোনো উত্তর পাইনি। আশা করছি, শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।'

আব্দুর রউফ বলেন, 'এবার ব্যবসায়ীরা অনেক লোকসান করছেন। এ জন্য তারা একটি আবেদন করেছেন। আমরা তাদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে মেলার সময় বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব দিয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, 'ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মেলার সময় আট দিন বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। আমরা তাদের প্রস্তাবটিই মন্ত্রণালয়ে ফরোয়ার্ড (পাঠানো) করেছি। এখন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।'

নিয়মানুযায়ী এবারও বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শুরু হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৫তম আসর । মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এবারের মেলায় বাংলাদেশের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, ইরান, তুরস্ক, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, ব্রনাই, দুবাই, ইতালি ও তাইওয়ানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

মেলার প্রথম থেকেই অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, এবার ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশ কম। মেলার প্রথম ১৩ দিন গড়ে ৪-৫ হাজার দর্শনার্থী হয়েছে বলে অভিমত মেলার গেট ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠান মীর ব্রাদার্সের মালিক মীর শহিদুলের। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন শুরুর দিন (১০ জানুয়ারি) বাণিজ্য মেলা বন্ধ রাখা হয়।

তবে প্রথম দিকে ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও দুই সপ্তাহ ধরেই অনেকটাই জমজমাট মেলা প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে গত দুই শুক্র ও শনিবার মেলা প্রাঙ্গণ ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে টইটম্বুর হয়ে ওঠে। শেষ সময় ঘনিয়ে আসায় ছুটির দিন ছাড়াও অন্যান্য দিনগুলোতে মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। এতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রিও বেড়েছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, এবার মেলায় ক্রেতারা যে সব পণ্য কিনতে পারছেন তার মধ্যে অন্যতম- দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স, পাট ও পাট জাত পণ্য সামগ্রী, চামড়া/আর্টিফিসিয়াল চামড়া ও জুতাসহ চামড়া জাত পণ্য, স্পোর্টস সরঞ্জাম, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক সামগ্রী, মেলামাইন সামগ্রী, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ঘড়ি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, ইমিটেশন জুয়েলারি, সিরামিকস, ক্যাবল, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ফাস্ট ফুড, আসবাবপত্র ও হস্তশিল্পজাত পণ্য, উপহার সামগ্রী, কনস্ট্রাকশন সামগ্রী, হোম ডেকর, বেকারি পণ্য, বিদেশি বস্ত্র ইত্যাদি।

এমএএস/এফআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]