ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউসে ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্প

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্প শোনোলেন বক্তারা। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারের অ্যাটলে সুইট পোর্টকালিস হাউসে ‘ইনভেস্ট ইন ডিজিটাল বাংলাদেশ ফ্রম ফিনটেক টু হাই-টেক’ শিরোণামে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম সেমিনারটির আয়োজন করেন।

হোমপের সিইও রুবেল এহসানের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সোনালি ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকি, স্ক্রিলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রুপিন্দর সিং ও লন্ডন স্কুল অব ইকোমিকসের অধ্যাপক লুতফি সিদ্দিক প্যানেল আলোচক হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশের সহযোগী হিসেবে ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন ‘নগদে’র বিভিন্ন উদ্যোগের কথা সেমিনারে তুলে ধরেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ৫৯টি নিবন্ধিত ব্যাংক থাকার পরেও ৫৩ শতাংশ মানুষ আর্থিক অন্তর্ভূক্তির বাইরে রয়েছে। যেখানে ৯৮ শতাংশ মানুষের হাতে মোবাইল থাকা সত্ত্বেও মানুষ আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে আসতে পারছে না।

নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘নগদ’ যাত্রা শুরুর মাত্র ১০ মাসের মধ্যে ১ কোটি ২২ লাখের বেশি মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভূক্তি করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৫ কোটি মানুষ আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারের আর্থিক সহায়তা, ভাতা ও উপবৃত্তির মতো সেবাগুলো মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে ‘নগদ’ কাজ করে যাচ্ছে।

তানভীর আহমেদ মিশুক বলেন, সরকারের আর্থিক সহায়তা ‘নগদে’র মাধ্যমে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে যাবে। যার মাধ্যমে আর্থিকভাবে টেকসই একটি সমাজ গঠন সম্ভব হবে। এছাড়া মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের মতো বিষয় প্রতিরোধ, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্যাশলেস সমাজ গঠনে কাজ করছে ‘নগদ’।

গ্রিন ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস তৈরির ক্ষেত্রে ‘নগদে’র দেখানো ডিজিটাল কেওয়াইসি পদ্ধতি ও নারী উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়টি সবার কাছে তুলে ধরেন তিনি।

এমএফ/পিআর