গ্রামীণফোনে ভর করে ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবকটি মূল্য সূচক বেড়েছে। মূল্য সূচক ঊর্ধ্বমুখী রাখতে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে গ্রামীণফোন।

এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও লেনদেনের শুরু থেকেই ব্যতিক্রম ছিল গ্রামীণফোন। কিছুদিন আগেও যে কোম্পানিটির শেয়ার দাম ধারাবাহিকভাবে কম ছিল, বুধবার সেই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়ে। এতে দিনের লেনদেন শেষে গ্রামীণফোনের শেয়ার দাম আগের দিনের তুলনায় ২১ টাকা ৫০ পয়সা বা ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে।

গ্রামীণফোনের শেয়ারের এমন দাম বাড়ার প্রভাবে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৯৯ পয়েন্টে উঠে এসেছে। ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সবকটি মূল্য সূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৪৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমে ১৮০টির। ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সূচকের উত্থান হলেও এদিন ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। দিনভর বাজারটিতে ৮৩৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। আগের দিন লেনদেন হয় ১ হাজার ২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সামিট পাওয়ারের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩০ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ফার্মার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। ২১ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাফার্জহোলসিম।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- খুলনা পাওয়ার, এস কে ট্রিমস, গ্রামীণফোন, ন্যাশনাল টিউবস, ডরিন পাওয়ার, বেক্সিমকো এবং গোল্ডেন হার্ভেস্ট।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই ৫০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৭টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১১টির এবং ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এমএএস/এমএসএইচ/পিআর