৬০ হাজার টাকা বীমা প্রিমিয়াম দিয়ে মিলল সোয়া দুই লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৪ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ২০১৪ সালে এপ্রিলে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স থেকে একটি বীমা পলিসি কিনেন কৃষক ফলিক মিয়ার স্ত্রী রেজমিন বেগম।

ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাসের শিকার হয়ে ২০১৭ সালের অক্টোবরে হঠাৎ না ফেরার দেশে পাড়ি জমান রেজমিন বেগম। মৃত্যুর আগে রেজমিন বেগমের ১২ বছর মেয়াদি বীমা পলিসিটির বিপরীতে তিনটি কিস্তির প্রিমিয়াম জমা হয়। ২০ হাজার টাকা করে তিন কিস্তিতে জমা হয় ৬০ হাজার টাকা।

তিন কিস্তির প্রিমিয়ামের টাকা জমা দেয়ার পর এই গ্রাহকের মৃত্যু হওয়ায় পলিসির শর্তানুযায়ী বীমা কোম্পানি তার নমিনিকে পরিশোধ করেছে ২ লাখ ২১ হাজার ৮৫৭ টাকা।

শনিবার বিয়ানীবাজার সিলেট শাখা কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান করে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম নুরুজ্জামান গ্রাহকের নমিনি ফলিক মিয়ার হাতে বীমা দাবির চেক তুলে দেন।

এ বিষয়ে এস এম নুরুজ্জামান বলেন, রেজমিন বেগম আমাদের গ্রাহক ছিলেন। ১২ বছর মেয়াদি বীমা পলিসির বিপরীতে তিন কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তিনি মারা যান। আমরা পলিসির শর্তানুযায়ী গ্রাহকের নমিনিকে দাবির টাকা পরিশোধ করেছি।

তিনি বলেন, বীমা হলো ভবিষ্যৎ আর্থিক অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অন্যতম হাতিয়ার। একজন মানুষ অনেক আশা নিয়ে বীমা পলিসি কিনেন। এসব বিষয় মাথায় রেখে আমরা গ্রাহকের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করি।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকরা যাতে কোনোভাবেই প্রতারিত না হন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে দ্রুত বীমা দাবির টাকা পরিশোধ করি।

বীমা দাবির চেক প্রদানের পাশাপাশি বিয়ানীবাজার সিলেট শাখা কার্যালয়ে ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন করে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ কাওছার আহমদ, সিনিয়র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিয়ানীবাজার লার্জ ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক এম ফয়জুল হক শিমুল, এসইভিপি মো.আব্দুল মতিন, ইভিপি মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এমএএস/জেএইচ/জেআইএম