এফটিএর মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৯ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ফাইল ছবি

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি সম্ভব বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, এফটিএ স্বাক্ষরের জন্য বিমসটেকভুক্ত (বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা) সদস্য দেশগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ভারত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে মুম্বাইয়ের ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে দুই দিনব্যাপী ‘বিমসটেক এক্সপো-২০২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের আঞ্চলিক বাণিজ্য টেকসই করতে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে কার্যকর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। ভোক্তাকে সহনীয় মূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে বাণিজ্যের ব্যয় কমানো প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের উদ্যোগ গহণ করলে ভোক্তারা উপকৃত হবেন।

তিনি আরও বলেন, বিমসটেক এফটিএ স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভূটানের বাণিজ্যে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। সদস্যভুক্ত দেশগুলো এ বিষয়ে কাজ করছে। বিমস্টেক কার্যকরভাবে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে, সুফলও পাওয়া যাচ্ছে। ইন্টিগ্রেটিং বিমস্টেক-২০২০ এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ ২০২৪ সালে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে এবং ২০২৭ সালের পর আর এলডিসি দেশের বাণিজ্য সুবিধা পাবে না। বাংলাদেশ এফটিএ স্বাক্ষরের মাধ্যমে পারস্পরিক দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মহাপরিচালক ড. রাজিব সিং। গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারতের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের এডিশনাল সেক্রেটারি ভিরান্দার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, বিহার রাজ্যের ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার আর এস শ্রীভাস্তব, এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড রাসকুইনহা। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন বিমসটেক সেক্রেটারিয়েটের পরিচালক ড. ধামারু বল্লবহা পাওডেল।

এমইউএইচ/এমএসএইচ/পিআর