এনসিসি ব্যাংকের লভ্যাংশ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩০ পিএম, ৩১ মে ২০২০

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনসিসি ব্যাংকের লভ্যাংশ স্থগিত করা হয়েছে। ২০১৯ সালের সমাপ্ত বছরের আর্থিক অবস্থা পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ব্যাংকটি।

লভ্যাংশ স্থগিতের পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের ঘোষণা করা বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও রেকর্ড ডেটও স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার(৩১ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এনসিসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৯ সালের ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। তবে এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাঙ্গালোর লভ্যাংশের সীমা বেধে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের লভ্যাংশ সীমা সংক্রান্ত নির্দেশনার কারণে তা এখন স্থগিত করেছে এনসিসি ব্যাংক। এ বিষয়ে আবারও সিদ্ধান্ত নিয়ে সময়মতো প্রকাশ করা হবে বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মহামারি করোনার প্রেক্ষিতে গত মাসে ব্যাংকের লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে ২০১৯ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য কোনো ব্যাংকই ১৫ শতাংশের বেশি নগদ এবং বোনাস শেয়ার মিলিয়ে ৩০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রভিশন সংরক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় মেটানোর বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ইতোপূর্বে গৃহীত Deferral সুবিধার অধীন নয় এমন বা ২০১৯ সালের জন্য কোনো Deferral সুবিধা গ্রহণ ব্যতিরেখে যে সব ব্যাংকের ২.৫ শতাংশ ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যুনতম ১২.৫০ শতাংশ বা তার বেশি মূলধন সংরক্ষণ করতে সক্ষম, সে সব ব্যাংক তাদের সামর্থ্য অনুসারে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নগদসহ মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে।

প্রভিশন সংরক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় মেটানোর বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ইতিপূর্বে গৃহীত Deferral সুবিধার অধীন নয় এমন বা ২০১৯ সালের জন্য কোনো Deferral সুবিধা গ্রহণ ব্যতিরেখে যে সব ব্যাংকের ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম ১১.২৫ শতাংশ থেকে ১২.৫০ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করতে সক্ষম, সে সব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমদনক্রমে তাদের সামর্থ্য অনুসারে সর্বোচ্চ ৭.৫ শতাংশ নগদসহ মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে।

প্রভিশন সংরক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ইতিপূর্বে গৃহীত Deferral সুবিধার অধীন নয় এমন বা ২০১৯ সালের জন্য কোনো Deferral সুবিধা সম্পূর্ণরূপে সমন্বয় করা হলে যে সব ব্যাংকের ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম ১১.২৫ শতাংশ বা তার বেশি থাকে সে সব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমদনক্রমে তাদের সামর্থ্য অনুসারে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ নগদসহ মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে।

প্রভিশন সংরক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় মেটানোর বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ইতোপূর্বে গৃহীত Deferral সুবিধার অধীন নয় এমন বা ২০১৯ সালের জন্য কোনো Deferral সুবিধা সম্পূর্ণরূপে সমন্বয় করা হলে যে সব ব্যাংকের ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম ১১.২৫ শতাংশ এর কম কিন্তু ন্যূনতম সংরক্ষিত মূলধন ১০ শতাংশ হবে সেসব ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমদনক্রমে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া সীমার অতিরিক্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করায় এনসিসি ব্যাংকের লভ্যাংশ স্থগিত করা হলেও উত্তরা ব্যাংক এবং ইষ্টার্ণ ব্যাংকের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি। উত্তরা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার এবং ইষ্টার্ণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

এমএএস/এএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]