৭ দিনে দাম কমেছে ৮ পণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১৪ এএম, ৩০ জুন ২০২০

গত এক সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় আটটি পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে- চাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, এলাচ, লবঙ্গ এবং আদা। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর শাহজাহানপুর, মালিবাগ, কারওয়ানবাজার, বাদামতলী, সূত্রাপুর, শ্যামবাজার, কচুক্ষেত, মৌলভীবাজার, মহাখালী, উত্তরা আজমপুর, রহমতগঞ্জ, রামপুরা এবং মিরপুর-১ নম্বর বাজারের পণ্যের দামের তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিসিবি।

গত এক সপ্তাহে দাম কমা প্রতিটি পণ্যের দাম করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই কয়েক দফা উত্থান-পতন হয়েছে। করোনার প্রকোপে গত মার্চে সবগুলো পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। এরপর থেকে চাহিদা কমলে মাঝে মধ্যে দাম কিছুটা কমেছে, তবে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার দাম বেড়ে যাচ্ছে। গত প্রায় চার মাস ধরে এ অবস্থায় চলছে।

গত এক সপ্তাহে সব থেকে বেশি দাম কমেছে দেশি পেঁয়াজের। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। বর্তমানে এই পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম কমেছে আমদানি করা পেঁয়াজের। এক সপ্তাহে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে কেজি ২০ থেকে ৩০ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, চিকন ও মাঝারি চালের দাম গত এক সপ্তাহে কমেছে। বর্তমানে নাজির ও মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৬০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬৮ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে এই দুই ধরনের চালের দাম কমেছে ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ।

মাঝারি মানের চাল পাইজাম ও লতার দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৫ শতাংশ কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা। আর মোটা চালের কেজি আগের মতো ৩৮ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এক সপ্তাহ আগে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি রসুনের দাম ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে ৯০ থেকে ১১০ টাকা হয়েছে। দেশি রসুনের পাশাপাশি দাম কমেছে আমদানি করা রসুনের। এক সপ্তাহে আমদানি করা রসুনের দাম ১০ শতাংশ কমে কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ৯০ থেকে ১১০ টাকা।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে খোলা সয়াবিন তেল। এক সপ্তাহে পণ্যটির দাম কমেছে ২ দশমিক ৩০ শতাংশ। ৮৬ থেকে ৮৮ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া খোলা সয়াবিন তেলের দাম কমে ৮৪ থেকে ৮৬ টাকা হয়েছে।

করোনা প্রকোপের শুরু থেকেই মূল্যে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন হওয়া জিরা ও এলাচের দাম গত এক সপ্তাহে কমেছে। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহে জিরার দাম ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা হয়েছে। আর এলাচের দাম ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৩৩০০ টাকা।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে মসলাপণ্য লবঙ্গ ও আদা। সপ্তাহের ব্যবধানে লবঙ্গের দাম ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে কেজি ৭০০ থেকে ৮৫০ থেকে টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা আদার দাম ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এমএএস/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]