লাভ-ক্ষতির তথ্য দিয়েছে ১৫ কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৬ পিএম, ৩০ জুন ২০২০

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চের ব্যবসায় লাভ-ক্ষতির তথ্য দিয়েছে শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ১৫ কোম্পানি। এর মধ্যে পাঁচটি কোম্পানি লোকসান করেছে। লাভে থাকা ১০টির মধ্যে আটটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে।

কোম্পানিগুলোর পরিচালনাপর্ষদ সভা শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

আইসিবি ইসলামী ব্যাংক

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ১৬ পয়সা। সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭ পয়সা কমেছে।

আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ১৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ২৫ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান করায় নয় মাসের হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১১ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪১ পয়সা।

প্রাইম টেক্সটাইল

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ২১ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান করায় নয় মাসের হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৬ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬৯ পয়সা।

এটলাস বাংলাদেশ

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ২১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ৪৪ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান করায় নয় মাসের হিসাবে কোম্পানিটির লোকসানের পাল্লা ভারী হয়েছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা।

ন্যাশনাল ফিড

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছে ৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ২৬ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান করায় নয় মাসের হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১৬ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৩ পয়সা।

পিপলস ইন্স্যুরেন্স

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৪৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৫ পয়সা।

প্রিমিয়ার সিমেন্ট

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৩৫ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৯ পয়সা।

ফার কেমিক্যাল

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৭ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৪৮ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮৯ পয়সা।

সী পাল বিচ রিপোর্ট

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৬ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩৫ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৮ পয়সা।

এইচ আর টেক্সটাইল

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৪৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৪ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা ৩১ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৩৭ পয়সা।

আইটিসি

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৩ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা।

কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমলেও নয় মাসের হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৭৩ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৬ পয়সা।

স্যালভো কেমিক্যাল

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমায় নয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ২৮ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪০ পয়সা।

ন্যাশনাল ব্যাংক

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫ পয়সা।

নিটল ইন্স্যুরেন্স

চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮০ পয়সা।

এমএএস/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]