৩৫ হাজার টাকা প্রিমিয়াম দিয়ে মিলল সোয়া লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২৯ পিএম, ০২ জুলাই ২০২০

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ২০১৭ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স থেকে বীমা পলিসি করেন দিনমজুর আবদুল হালিম। কিন্তু ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাসের শিকার হয়ে বীমা পলিসির মেয়াদ তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আবদুল হালিম।

মৃত্যুর আগে ১২ বছর মেয়াদি বীমা পলিসির বিপরীতে ৩৫টি কিস্তির প্রিমিয়াম জমা দেন তিনি। প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে মোট জমা হয় ৩৫ হাজার টাকা।

৩৫ কিস্তির প্রিমিয়ামের টাকা জমা দেয়ার পর এই গ্রাহকের মৃত্যু হওয়ায় পলিসির শর্তানুযায়ী বীমা কোম্পানি তার নমিনিকে পরিশোধ করেছে এক লাখ ১৪ হাজার ৯৩০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বাড্ডায় কোম্পানির মডেল সার্ভিস সেন্টারে অনুষ্ঠান করে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম নুরুজ্জামান গ্রাহকের নমিনি মোসা. ফিরোজার (গ্রাহকের স্ত্রী) হাতে বীমা দাবির চেক তুলে দেন।

jagonews24

এ বিষয়ে এস এম নুরুজ্জামান বলেন, আবদুল হালিম আমাদের গ্রাহক ছিলেন। ১২ বছর মেয়াদি বীমা পলিসির বিপরীতে ৩৫ কিস্তিতে ৩৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে মারা যান তিনি। আমরা পলিসির শর্তানুযায়ী গ্রাহকের নমিনিকে দাবির টাকা পরিশোধ করেছি।

তিনি বলেন, বীমা হলো ভবিষ্যৎ আর্থিক অনিশ্চয়তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অন্যতম হাতিয়ার। একজন মানুষ অনেক আশা নিয়ে বীমা পলিসি করেন। এসব বিষয় মাথায় রেখে আমরা গ্রাহকের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করি।

তিনি আরও বলেন, গ্রাহকরা যাতে কোনোভাবেই প্রতারিত না হন সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে দ্রুত বীমা দাবির টাকা পরিশোধ করি।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানির ডিএমডি মো. সাইফুল ইসলাম, কোম্পানি সচিব আবদুর রহমান, ডিজিএম মো. নিজাম উদ্দিন, এসইভিপি মো. আবু জাফর প্রমুখ।

এমএএস/এএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]