নানা অনিয়মে শ্যামল ইক্যুইটি, সতর্ক করবে বিএসইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:০০ এএম, ১৪ আগস্ট ২০২০

গোপনে গ্রাহকদের টাকা সরিয়ে নেয়াসহ শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২০১৮ সালের আগস্টের পরিদর্শন প্রতিবেদনে শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে-

> কোম্পানি তাদের কনসোলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকউন্টে ঘাটতির মাধ্যমে ১৯৮৭ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস রুলের ৮এ (১) এবং (২) ভঙ্গ করেছে।

> কোম্পানি একজন গ্রাহকের নামে একাধিক হিসাব পরিচালনা করে ডিপজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩ এর প্রবিধান ২৬(১) ভঙ্গ করেছে।

> কোম্পানি তাদের ডিলার হিসেবে লেনদেনের জন্য আলাদা ব্যাক অফিস মডিউল বজায় রাখেনি এবং যথাযথ রেকর্ড রাখেনি।

> কর্মচারী এবং কর্মচারীদের আত্মীয়দের ঋণ সুবিধা দিয়ে বিএসইসির নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে।

> গ্রাহকদের মার্জিন চুক্তিপত্র না থাকা সত্ত্বেও ক্যাশ অ্যাকাউন্টসে ঋণ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

> গ্রাহকদের মার্জিন সুবিধার আওতায় 'জেড' গ্রুপের সিকিউরিটিজ ক্রয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিএসইসির এসআরআই বিভাগের আরেকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ২০১৭ সালের ৩০ জুন অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট অনুযায়ী কনসোলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকাউন্টে ঘাটতি ছিল।

কনসোলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকাউন্টে ঘাটতি থাকার অর্থ গ্রাহকের অজান্তে তার হিসাব থেকে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে।

বিএসইসির মুখপাত্র জানিয়েছেন, এসব অনিয়মের কারণে শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টকে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

এমএএস/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]