রবির আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৪ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য রবি আজিয়াটা লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি জানান, কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে, যা দিয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচ পরিচালনা করা হবে।

এ টাকা তোলার জন্য কোম্পানিটি ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি সাধারণ শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করবে। এর মধ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইস্যু করা হবে।

বিএসইসি জানিয়েছে, কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৪ পয়সা।

কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট।

বিএসইসি আরও জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের মাধ্যমে কোম্পানিটির সাধারণ শেয়ারের চাঁদা দিতে ইচ্ছুক প্রত্যেক যোগ্য বিনিয়োগকারীকে চাঁদা গ্রহণ শুরুর দিন থেকে পূর্ববর্তী পাঁচ কার্যদিবস শেষে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বাজার মূল্যে কমপক্ষে এক কোটি টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।

এদিকে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস থেকে জানানো হয়েছে, রবি পুঁজিবাজার থেকে ৫২৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আইপিও। উত্তোলিত অর্থ রবির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহৃত হবে। টেলিকমিউনিকেশন খাতের দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে রবির তালিকাভুক্তি বাজারের মূলধনকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, আইডিএলসি ২০১৬ সালে রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণেও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছে, যা বাংলাদেশের বৃহত্তম মার্জার লেনদেনগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এ প্রসঙ্গে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি অ্যান্ড সিইও আরিফ খান বলেন, ‘রবি আজিয়াটার এই আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে বলে বিশ্বাস করি। ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রবির এই অর্জনে সহযোগী হতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আইডিএলসি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ইতিবাচক কার্যক্রমের সঙ্গে থাকবে বলে আশা করছি।’

এমএএস/এএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]