দাম বেড়েছে চাল-তেলের, কমেছে আদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৫ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

গত এক সপ্তাহে চাল, সয়াবিন তেল ও শুকনো মরিচের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে আদার দাম। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর শাহজাহানপুর, মালিবাগ বাজার, কারওয়ান বাজার, বাদামতলী বাজার, সূত্রাপুর বাজার, শ্যাম বাজার, কচুক্ষেত বাজার, মৌলভী বাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, রহমতগঞ্জ বাজার, রামপুরা এবং মিরপুর-১ নম্বর বাজারের পণ্যের দামের তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিসিবি।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে চিকন, মাঝারি ও মোটা সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। মোটা চালের দাম বেড়ে হয়েছে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৪২ থেকে ৪৮ টাকা। এ হিসেবে সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

সরু চালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে এক দশমিক ৭৯ শতাংশ। ৫২ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সরু মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়ে ৫৪ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি পাইজাম চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

চালের পাশাপাশি বোতল ও খোলা সয়াবিন তেল, পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। লুজ সয়াবিন তেলের দাম ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে ৯০ থেকে ৯৩ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা। ৪৬০ থেকে ৫১০ টাকা বিক্রি হওয়া বোতলের ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ৪৬০ থেকে ৫১৫ টাকা হয়েছে।

বোতলের এক লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, যা আগে ছিল ৯৫ থেকে ১১০ টাকা। লুজ পাম অয়েলের দাম বেড়ে ৮০ থেকে ৮৪ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। আর ৭৫ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হওয়া সুপার পাম অয়েলের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৪ থেকে ৯০ টাকা।

দাম বাড়ার এ তালিকায় রয়েছে দেশি ও আমদানি করা উভয় ধরনের শুকনো মরিচ। দেশি শুকনো মরিচের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, যা আগে ছিল ২০০ থেকে ২৮০ টাকা। আমদানি করা শুকনো মরিচের দাম ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ২২০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আগে আমদানি করা শুকনো মরিচের দাম ১৯০ থেকে ২৮০ টাকা ছিল বলে জানিয়েছে টিসিবি।

সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি আদার দাম ২০ শতাংশ কমেছে। আগে ১২০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি আদার দাম কমে এখন ৯০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। আমদানি করা আদার দাম ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ কমে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ২২০ থেকে ২৫০ টাকা।

এমএএস/এফআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]