২০৩১ সালে উৎপাদনশীলতা হবে ৫.৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২০ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সকল খাতের উৎপাদনশীলতা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ উন্নীত করা হবে। এ জন্য খাতভিত্তিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যম বিভিন্ন খাতের চাহিদা নিরূপণ ও চাহিদার আলোকে অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতীয় উৎপাদনশীলতা পরিষদের (এনপিসি) ১৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন সভাপতিত্ব করেন। শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার সভায় সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নবম-দশম শ্রেণির আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসায় উদ্যোগ পাঠ্যপুস্তকে ‘উৎপাদনশীলতার ধারণা ও আধুনিকায়ন’ অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে পাণ্ডুলিপি প্রকাশের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া এনপিওর চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি কৃষি, সেবা ও শিল্পখাতের উৎপাদনশীলতার লেভেল নির্ধারণের লক্ষ্যে লেবার ফোর্স সার্ভে দ্রুত সম্পাদনের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় উৎপাদনশীলতা আন্দোলনকে আরও জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন কলাকৌশল’ বিষয়ক অনুষ্ঠান প্রচারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

jagonews24

সভাপতির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিল্প মন্ত্রণালয় ২০৩০ সাল নাগাদ জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা ৫ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

এক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয় অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাসহ সরকারের অন্যান্য উন্নয়ন দলিল বিবেচনা করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কৌশল হাতে নিয়েছে। বিশ্বায়নের বর্তমান প্রেক্ষাপটে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি সময়ের অনিবার্য দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নুরুল মজিদ হুমায়ুন আরও বলেন, কৃষিখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম অগ্রাধিকার। দেশের প্রতি ইঞ্চি আবাদি জমিকে কৃষি উৎপাদনের আওতায় আনতে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো হবে।

উৎপাদনশীলতা বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টারপ্ল্যানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ সচিব ড. সুলতান আহমেদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে এম আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. লুৎফুল হাসান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন, বেপজার জিএম তানভীর হোসেন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, ইউএমসিএইচের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী প্রমুখ।

এসআই/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]