দিনাজপুর-জয়পুরহাটে সেচ সম্প্রসারণে ২৫১ কোটি টাকা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩০ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০

ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে বৃহত্তর দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলায় সেচ সম্প্রসারণে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী (একনেক) সভা একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটি চারটি জেলার মোট ২৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। এতে খরচ করা হবে ২৫১ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ‘ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে বৃহত্তর দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলায় সেচ সম্প্রসারণ’ শিরোনামের প্রকল্পটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়ন করবে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)।

পরিকল্পনা বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পটি দুটি বিভাগের চারটি জেলার মোট ২৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। তার মধ্যে প্রকল্পটি রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার সদর, পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী, রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলা; পঞ্চগড় জেলার সদর, বোদা, দেবীগঞ্জ, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া উপজেলা; দিনাজপুর জেলার সদর, বীরগঞ্জ, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, চিরিরবন্দর, বিরল, খানসামা, পার্বতীপুর, বিরামপুর, ফুলবাড়ি, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা এবং রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে ২০০ কিলোমিটার ৩৩টি খাল পুনঃখনন করা, ৬০টি জলাশয় পুনঃখনন করা, ২৫টি সাবমার্জড ওয়্যার নির্মাণ করা, ১৬৫টি (বিদ্যুৎচালিত ৩০টি, সৌরশক্তি চালিত ১৩৫টি) বিদ্যুৎ/সৌরশক্তি চালিত লো-লিফ্ট পাম্প স্থাপন করা, ১৬৫টি (১ হাজার ৫০০ মিটারের ১৪০টি, ৬৫০ মিটারের ২৫টি) ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ করা, এক হাজারটি (প্রতিটি ৫৯০ মিটার) ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা বর্ধিত করা, ৬০টি সৌরশক্তি চালিত পাতকূয়া নির্মাণ করা, ১৬৫টি প্রি-পেইড মিটার কেনা এবং ৯টি অফিস ভবন নির্মাণ করা।

এভাবে ভূ-উপরিস্থ পানির সাহায্যে সেচ কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে প্রতিবছর অতিরিক্ত প্রায় ১ দশমিক ৭৭ লাখ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন করা, ৬০টি পাতকূয়া খননের মাধ্যমে স্বল্প সেচের ফসল/সবজি উৎপাদন করা, সেচ কাজে নবায়নযোগ্য সৌরশক্তির ব্যবহার করা এবং প্রকল্প এলাকায় কৃষক প্রশিক্ষণ ও আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের মতামত হলো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রকল্প এলাকায় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ধরে রাখাসহ দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

পিডি/জেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]