প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০১ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০২০

“প্রাইম ব্যাংক থেকে ছাঁটাই হলেন ক্যান্সার আক্রান্ত কর্মীও!” শিরোনামে গত ২৮ অক্টোবর জাগোনিউজ২৪.কমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটির হেড অব ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্স নাজমুল করিম চৌধুরীর পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রতিবেদনে উল্লিখিত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুবায়ের এরশাদকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে সিঙ্গাপুরে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দফায় দফায় বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া চিকিৎসা চলাকালে ব্যাংকের সিঙ্গাপুরের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান প্রাইম এক্সচেঞ্জ কো. পিটিই লিমিটেড থেকে তাকে সার্বক্ষণিক সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদান করা হয়। তার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে মানবিক কারণে বড় অংকের আর্থিক সহায়তাও প্রদান করে। তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। তিনি স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন, যার প্রমাণাদি ব্যাংকের কাছে সংরক্ষিত আছে।”

“প্রতিবেদনে কয়েকজন কর্মকর্তার কথা উল্লেখ করে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা অসত্য, ভিত্তিহীন ও একপেশে। তারা স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংকে চাকরি না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং তাদের ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সার্ভিস বেনিফিট ও রিলিজ দেয়া হয়।”

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, “শুধু ব্যাংকের কতিপয় সাবেক কর্মকর্তার এক তরফা অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই-বাছাই না করে পুরো প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে এবং অশোভনভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। প্রমাণাদি ছাড়া ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করে কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সুনামহানির চেষ্টা করা কোনোভাবেই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নয়। নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপিত এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও রেগুলেটরদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে।”

“কোনো ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এর সত্যতা যাচাই ব্যতিরেকে ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসত্য বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।”

প্রতিবাদলিপিতে অসত্য, ভিত্তিহীন তথ্যনির্ভর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপস্থাপিত প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো এক ভুক্তভোগীর চিঠির ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি সাজানো হয়েছে, যা জাগো নিউজের কাছে সংরক্ষিত আছে। এছাড়া বাকি অভিযোগও ভুক্তভোগীদের কাছ থেকেই পাওয়া।

এইচএ/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]