সোমবার শুরু বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের বিডিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৬ এএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের প্রান্তসীমা মূল্য (কাটঅফ প্রাইস) নির্ধারণে নিলাম (বিডিং) আগামীকাল (২২ ফেব্রয়ারি) বিকেল ৫টায় শুরু হয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।

এর আগে ১৫-১৮ ফেব্রুযারি পর্যন্ত বিডিংয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিডিংয়ের তারিখ পরিবর্তন করে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৫৫তম কমিশন সভায় বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারকে বিডিংয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২২৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করে তারা সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কর্ণফুলী পাওয়ার ও বারাকা শিকলবাহা পাওয়ারে বিনিয়োগের পাশাপাশি আংশিক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহে খরচ করবে।

পাবলিক ইস্যু রুল ২০১৫ এর সি এর (১) এর (২) আইন অনুযায়ী বিডিংয়ে অংশ নিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের বাজারমূল্যে নূন্যতম বিনিয়োগের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ ফেব্রুয়ারি।

তবে ৭ ও ১১ ফেব্রুয়ারি যেসব প্রতিষ্ঠানের নূন্যতম বিনিয়োগ রয়েছে এমন সব প্রতিষ্ঠান বারাকা পতেঙ্গার বিডিংয়ে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) সম্মিলিতভাবে ২৩ টাকা, আর এককভাবে ২০ টাকা ৯৮ পয়সা। একই সময়ে কোম্পানিটির সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৩৭ পয়সা, এককভাবে ১ টাকা ৮৪ পয়সা।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার। ২০০৭ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে যাত্রা হয় বারাকা পাওয়ারের।

এরপর ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ফার্নেস অয়েল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি পায়।

এ দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবসায়িক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার দুটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করে। এর একটি কর্ণফুলী পাওয়ার লিমিটেড এবং অন্যটি হলো বারাকা শিকলবাহা পাওয়ার লিমিটেড। সাবসিডিয়ারি দুটির ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার।

বিশ্বব্যাংক প্রথম প্রাইভেট খাতের পাওয়ার প্ল্যান্ট হিসেবে বারাকা পাওয়ারে বিনিয়োগ করেছে। কোম্পানিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইপিপিএফ প্রজেক্ট সেলের মাধ্যমে ২ কোটি ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ডলার বিনিয়োগ করেছে বিশ্বব্যাংক।

এমএএস/এমএইচআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]